স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেসক্লাব যশোর ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সম্মানহানি ঘটে—এমন কোনো কার্যক্রমে না জড়াতে সদস্যদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন কিংবা কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইন ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
সভায় উপস্থিত সকলের সম্মতিক্রমে সিনিয়র সদস্য ফকির শওকতকে আহ্বায়ক এবং বিনয় কৃষ্ণ মল্লিককে সদস্য সচিব করে আহ্বায়ক কমিটির নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হয়। এর আগে সাবেক আহ্বায়ক একরাম-উদ-দ্দৌলা, সাবেক সদস্য সচিব মবিনুল ইসলাম মবিন ও সদস্য ওহাবুজ্জামান ঝন্টু দায়িত্ব পালনে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় পূর্বের কমিটি থেকেই এই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। একইসাথে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার কারণে এস এম তৌহিদুর রহমানকে কমিটি থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে দায়িত্ব পালন করায় বিদায়ী নেতৃত্বের প্রতি সভায় ধন্যবাদ জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন
সভায় নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন পরিচালনার সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করা হয়। এ লক্ষ্যে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান অ্যাডভোকেট সাবেরুল হক সাবুসহ অন্যান্যদের আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচন কমিশনের সুবিধার্থে প্রস্তুত করা হচ্ছে হালনাগাদ ভোটার তালিকা।
এছাড়া দীর্ঘ দিন বকেয়া না দেওয়ায় সাকিরুল কবীর রিটন, হাবিবুর রহমান মিলন ও জাহিদুল কবীর মিল্টনকে আজ বুধবার রাত ৮টার মধ্যে যাবতীয় দেনা মেটানোর শেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে ভোটার তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ পড়বে বলে জানিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। সভায় ক্লাবের নিরাপত্তা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সচল করা ও সার্বিক কার্যক্রম গতিশীল করতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নবমনোনীত আহ্বায়ক ফকির শওকতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন আনোয়ারুল কবীর নান্টু, আহসান কবীর, আমিনুর রহমান মামুন, নূর ইসলাম, সরোয়ার হোসেন, জাহিদ আহমেদ লিটন, এম আইউব ও আকরামুজ্জামান প্রমুখ। ছবি সংগৃহীত।


