স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরের শার্শা উপজেলায় এলাকার নিয়ন্ত্রণ রাখা এবং স্থানীয় কন্যাদহ বাওড়ের দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) দুই প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিপক্ষের হামলায় অন্তত একজন রক্তাক্ত জখম হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
আজ রোববার (৯ আগস্ট ২০২৬) গভীর রাতে (আনুমানিক রাত ১টার দিকে) উপজেলার কন্যাদহ গ্রামের গাইনপাড়া এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
বিজ্ঞাপন
আহত ব্যক্তির নাম শরিফুল ইসলাম শরিফ (৩৫)। তিনি স্থানীয় নুরুজ্জামান লিটন গ্রুপের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কন্যাদহ বাওড়ের কর্তৃত্ব ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার নিয়ে বিএনপির সাবেক এমপি মফিকুল হাসান তৃপ্তি গ্রুপ এবং নুরুজ্জামান লিটন সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সুপ্ত বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে রাত ১টার দিকে স্থানীয় ইসমাইলের চায়ের দোকানের সামনে উভয় পক্ষের সমর্থকরা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি চরম উত্তেজনাকর রূপ নেয় এবং সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে শরিফুল ইসলাম শরিফ গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের পরপরই নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে ও আতঙ্কের সৃষ্টি করতে উভয় পক্ষের অনুসারীরা পর পর ৪-৫টি শক্তিশালী ককটেল ফটিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। বিকট শব্দের কারণে পুরো এলাকায় ক্ষণিকের জন্য চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পাওয়ার পর শার্শা থানা পুলিশের একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্ত রয়েছে।
এ বিষয়ে শার্শা থানা পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ এলাকা পরিদর্শন করেছে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো পক্ষই থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চলছে। ফাইল ছবি সংগৃহীত।

