স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) মুন্সি মেহেরুল্লাহ হলের লিফটে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে প্রায় আধা ঘণ্টা অবরুদ্ধ ছিলেন ১১ জন আবাসিক শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (৭ মে ২০২৬) সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের কাছে স্থায়ী সমাধানের দাবিতে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীরা জানান, সন্ধ্যায় নামাজের উদ্দেশ্যে শিক্ষার্থীরা লিফটে করে নিচে নামার সময় হঠাৎ সেটি মাঝপথে থেমে যায়। দীর্ঘ সময় লিফটের ভেতর আটকা থাকায় অক্সিজেন স্বল্পতা ও তীব্র গরমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বদ্ধ পরিবেশে শ্বাসকষ্টের কারণে কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে লিফট অপারেটর এসে প্রায় ২০ মিনিটের চেষ্টায় তাদের উদ্ধার করেন।
বিজ্ঞাপন
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের লিফটে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এর আগেও একাধিকবার এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “ভেতরে আমরা চরম আতঙ্কে ছিলাম। বারবার এমনটা হওয়া সত্ত্বেও প্রশাসনের টনক নড়ছে না। শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে এই অবহেলা বন্ধ করতে হবে।”
ঘটনা স্বীকার করে মুন্সি মেহেরুল্লাহ হলের প্রভোস্ট আব্দুর রউফ সরকার জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আপাতত লিফটজনিত ঝুঁকি কমাতে তিন তলা পর্যন্ত লিফট ব্যবহার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং অপারেটরদের সার্বক্ষণিক হলে অবস্থান নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে ভিন্ন সুর শোনা গেছে প্রকৌশলী শাফাওয়াত হোসেনের কণ্ঠে। তিনি বিষয়টিকে ‘সাময়িক ও সাধারণ জটিলতা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের কারিগরি সমস্যা পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়। প্রকৌশলীর এমন মন্তব্যে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ফাইল ছবি।
