স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
বেনাপোলে অপরাধ দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও এলাকার সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেনের কঠোর দিকনির্দেশনা ও দক্ষ নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। পুলিশের সাহসিক অভিযানে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন এবং ১৪ রাউন্ড তাজা গুলিসহ মফিজুর রহমান (২৯) নামের চার মামলার এক চিহ্নিত অপরাধীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আজ রোববার (৯ আগস্ট ২০২৬) রাত ৮টা ২০ মিনিটে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন দিঘীরপাড় এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মফিজুর রহমান বেনাপোল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাগজপুকুর দক্ষিণপাড়া অধিবাসী আলমগীর হোসেনের ছেলে।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ প্রশাসন সূত্রে প্রকাশ, যশোর জেলা পুলিশ সুপারের সার্বিক সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় এবং বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মোহাম্মদ আশরাফ হোসেনের সুপরিকল্পিত তত্ত্বাবধানে এসআই সুজাতউদ্দৌলাহ ও সঙ্গীয় চৌকস পুলিশ দল এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে।
গোপন তথ্যের সূত্র ধরে বেনাপোল-যশোর মহাসড়কের দিঘীরপাড় এলাকাস্থ মেসার্স শাহ জালাল ফিলিং স্টেশনের নিকটে কবির হোসেনের হার্ডওয়্যার দোকানের সামনে কৌশলগত অবস্থান নেয় পুলিশ। সেখানে সন্দেহভাজন হিসেবে ঘোরাঘুরির সময় মফিজুরকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাঁর শরীর তল্লাশি চালিয়ে কোমরে লুকানো ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন ও ১৪ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করে বাজেয়াপ্ত করা হয়।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মোহাম্মদ আশরাফ হোসেনের জিরো টলারেন্স নীতি, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে জিরো-সহনশীলতা এবং নিয়মিত তদারকির দরুন সীমান্ত এলাকায় অপরাধপ্রবণতা অনেকাংশে কমে এসেছে। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে তাঁর এই আপসহীন মনোভাব ও সাহসিক নেতৃত্ব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অত্যন্ত সুসংহত করেছে।
সফল এই অভিযানের বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, “বেনাপোলকে অস্ত্র, মাদক ও সব ধরনের অপরাধমুক্ত রাখতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার কোনো সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। আটক আসামির বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ৩টি মাদক ও ১টি সিআরসহ মোট ৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরসহ কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের কাজ চলছে।”
ওসি মোহাম্মদ আশরাফ হোসেনের এমন দ্রুত, সাহসিক ও পেশাদার অভিযানের পর বেনাপোলের সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশ প্রশাসনের এই সাফল্যকে সাদরে গ্রহণ করেছেন এবং ওসির দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। ছবি সংগৃহীত।


