স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার চাপাতলা গ্রামে এক অসহায় বিধবা নারীর স্বামী সূত্রে প্রাপ্ত পৈত্রিক চার শতক বসতভিটার জমি বলপূর্বক ও অবৈধভাবে দখলের মারাত্মক অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘরবাড়ি উচ্ছেদ ও ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকির কারণে বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী নারী লিপিকা তরফদার।
বিজ্ঞাপন
উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাঘারপাড়া থানায় সুনির্দিষ্ট ছয়জনের নাম উল্লেখপূর্বক এক লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন লিপিকা। অভিযুক্তদের তালিকায় বন্দবিলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাশেম ডাক্তারসহ সেলিম, জিল্লুর রহমান, অমিত, সিরাজুল ইসলাম ও বরুন তরফদারের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ভুক্তভোগী লিপিকার ভাষ্যমতে, গত চার বছর ধরে ওই জমিটি জোরপূর্বক নিজের দখলে রেখেছেন অভিযুক্ত অমিত। প্রাপ্য জমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দিতে বললে তাঁকে অনবরত গালিগালাজ, ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল চক্রটি। একপর্যায়ে গত ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে লিপিকাকে তাঁর বসতভিটা থেকেই জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ তোলেন। গত ১৪ আগস্ট স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সরকারি মাপে জমির সীমানা নির্দিষ্ট করে পিলার বসানো হলেও প্রভাবশালী চক্রটি জমিটি ছাড়েনি বলে দাবি করেন তিনি।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ এক বাক্যে নাকচ করে দিয়ে হাশেম ডাক্তার দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সম্পুর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বাঘারপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ জালাল আলম জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে তদন্ত চালিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ছবি সংগৃহীত।


