স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরে নিজ জন্মদাত্রী মাকে ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত স্কুলশিক্ষক ছেলে মামুনুর রশিদ ওরফে মামুন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানকালে হঠাৎ মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
বিজ্ঞাপন
গত বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে যশোর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার সময় তিনি আকস্মিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন রাত আনুমানিক ১০:০০টার দিকে কঠোর পুলিশ পাহারায় তাঁকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত দেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের চারতলার পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ আগস্ট (বুধবার) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের বাজে দুর্গাপুর গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে মা আনোয়ারা বেগমকে (৫৮) ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই বিভৎস হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত বড় ছেলে ও স্থানীয় লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মামুনুর রশিদ ওরফে মামুন পালিয়ে যান। পরবর্তীতে ২৮ আগস্ট সকালে তেঘরিয়া এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা তাঁকে আটক করে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)-এর কাছে হস্তান্তর করেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও দায়িত্বরত চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আসামি মামুনুর রশিদ বর্তমানে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন আশঙ্কামুক্ত। সুস্থ হওয়ার পর আদালতের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ছবি সংগৃহীত।

