চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের গৌরবময় পথচলার ৬০ বছর (হীরক জয়ন্তী) পূর্তি উপলক্ষে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান, কেক কাটা ও এক মনোজ্ঞ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ১১টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মিসেস লুৎফুন নাহার, চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সম্মানিত প্রশাসক জনাব মোঃ শরীফুজ্জামান শরীফ।
বিজ্ঞাপন
চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের ১৯৬৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ছয় দশকের পেশাদারিত্ব, স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং জেলার সার্বিক উন্নয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে অনুষ্ঠানে আলোচনা করা হয়। এ সময় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ক্লাবের সাংবাদিক ও নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং উপস্থিত অতিথিদের নিয়ে হীরক জয়ন্তীর কেক কাটা হয়।
অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সাংবাদিকতা হচ্ছে সমাজের দর্পণ। একটি গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থায় নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন অত্যন্ত জরুরি। সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের মাধ্যমে যেমন অপরাধ ও অসঙ্গতি তুলে ধরেন, তেমনি সাধারণ মানুষের কথা প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দেন। চুয়াডাঙ্গায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীদের পারস্পরিক পেশাগত সৌহার্দ্য ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
জেলা প্রশাসক ও অন্যান্য বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সমাজ ও প্রশাসনের মাঝে সেতু হিসেবে কাজ করে প্রেসক্লাব। দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব বস্তুনিষ্ঠতার যে ধারা বজায় রেখেছে, আগামী দিনেও তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তাঁরা।
উক্ত আলোচনা সভায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সকল সদস্য, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সুধীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি সংগৃহীত।
