মোঃ মাসুদ রানা (কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ):
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন এবং ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্থায়ী পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বহুল প্রতীক্ষিত ‘পৌর মার্কেট’-এর আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে শহরের মিনি স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশে ফিতা কেটে এই মার্কেটের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক রেজওয়ানা নাহিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তবিবুর রহমান মিনি, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইলিয়াস রহমান মিঠু, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান মিলন, বিএনপি নেতা শামসুর রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা জহির হোসেন মোহনসহ স্থানীয় অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমানুল্লাহ আল মামুন, কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুলফিকার আলী, আবাসিক প্রকৌশলী জয়দীপ সরকার, পৌর প্রকৌশলী কবির হাসান, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আলমগীর হোসেন, স্থানীয় সাংবাদিক ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাশেদ খাঁন বলেন, “পৌর মার্কেট উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে কালীগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের একটি লালিত স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে গেল। বিগত ১৭ বছর ধরে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ফুটপাত বেআইনিভাবে দখল করে দোকান বসানো এবং সেখান থেকে অনৈতিক চাঁদাবাজির কারণে যানজট ও বিশৃঙ্খলা নিত্যদিনের নিয়মে পরিণত হয়েছিল। ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্থায়ী ও নিরাপদ জায়গা হলে একদিকে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন, অন্যদিকে শহরের সড়কগুলোতে শৃঙ্খলার পাশাপাশি পৌরসভার রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে।”
তিনি আরও জানান, জনস্বার্থ বিবেচনা করে কালীগঞ্জ পৌর কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছ থেকে ৫ দশমিক ৭০ একর জমি বরাদ্দ নিয়েছে। সেখানে পরিকল্পিতভাবে আধুনিক ও মডেল পৌর মার্কেট নির্মাণ করা হলে ব্যবসায়ী, পথচারী ও সাধারণ নাগরিকরা এর সুফল পাবেন।
উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, “বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটের মূলে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি সংকট ও পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনাগত জটিলতা। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরের দীর্ঘ সংকট ও মধ্যবর্তী সময়ের সিদ্ধান্তহীনতার খেসারত দিতে হচ্ছে বর্তমান সরকারকে। আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশকে জ্বালানিতে স্বাবলম্বী করতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সম্প্রসারণসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে; যার ইতিবাচক ফল খুব শিগগিরই সাধারণ মানুষ দেখতে পাবেন।” ছবি সংগৃহীত।

