স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
সমাজের মূলস্রোত থেকে পিছিয়ে থাকা হিজড়া জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও অন্যান্য সেবাখাতে সমান সুযোগ এবং বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যশোরে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপের আয়োজন করা হয়েছে। বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি এবং অর্পণ মানব কল্যাণ সংস্থার যৌথ উদ্যোগে শহরের জয়তী সোসাইটি মিলনায়তনে এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কো-অর্ডিনেটর ডা. মৌসুমি বিনতে মানিক, পুলিশ ইন্সপেক্টর রোকসানা খাতুন, সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা আফরোজা সুলতানা, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) যশোরের উপ-পরিচালক বিএম কামরুজ্জামান এবং ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার এ.টি.এম রাফিদ হোসেন। মূল ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন অর্পণ মানব কল্যাণ সংস্থার সমন্বয়কারী রুবাইদুল হক।
উক্ত সংলাপে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন জয়তী সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক অর্চনা বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট তাহমিদ আকাশ, যশোর পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার, বাঁচতে শেখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা দীপক কুমার রায়, এসসিডিও যশোরের নির্বাহী পরিচালক সুকান্ত দাস, এনজিও সমন্বয়কারী শেখ রাকিবুল ইসলাম নয়ন এবং ট্রান্সজেন্ডার প্রতিনিধি নীলাশা সুলতানা ও ফাবিহা বুশরা প্রমুখ।
বিজ্ঞাপন
আলোচকরা বলেন, সমাজের অন্যান্য সাধারণ নাগরিকদের মতো হিজড়া জনগোষ্ঠীর মানুষদেরও সমান নাগরিক অধিকার রয়েছে। তাই তাদের জন্য শিক্ষা, চাকরি ও জীবিকার প্রতিটি ক্ষেত্রে সমতাভিত্তিক পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি সকল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। নাগরিক সম্পৃক্ততা তহবিলের (সিইএফ) সহায়তায় আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে সার্বিক অর্থায়ন ও সহযোগিতা প্রদান করেছে সুইস রেডক্রস, কানাডা সরকার এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সঞ্চালনা করেন বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ডেপুটি ম্যানেজার সৈয়দ আবু সালেহ মাহফুজ। ছবি সংগৃহীত।
