শার্শায় এসিল্যান্ডের বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন : রাস্তা অবমুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

শার্শায় এসিল্যান্ডের বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন : রাস্তা অবমুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :

যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল সংলগ্ন ভবেরবেড় এলাকার সরকারি খাসজমিতে অবস্থিত ঐতিহ্যগত চলাচলের পথ নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের পেশকৃত প্রতিবেদনকে ‘কাল্পনিক ও বাস্তবতাবহির্ভূত’ আখ্যা দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন চরম ভোগান্তিতে পড়া ভুক্তভোগী অধিবাসীরা।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম অভিযোগ উত্থাপন করে বলেন, ১ নম্বর খতিয়ানভুক্ত সিএস ও এসএ ২৮২ নম্বর দাগের প্রায় ৪১ শতক সরকারি ভূমিতে এলাকাবাসীর যাতায়াতের একটি দীর্ঘদিনের পথ রয়েছে। উক্ত পথ সংক্রান্ত বিরোধে শার্শার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নিয়াজ মাখদুম বিজ্ঞ আদালতে যে সরেজমিন প্রতিবেদন দাখিল করেছেন, তাতে মূল সত্য সম্পূর্ণভাবে গোপন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সরকারি সম্পত্তি থেকে বেআইনি দখলদার হটানো এবং রাস্তাটি সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য মুক্ত করতে চলতি বছরের ১২ মার্চ যশোর জেলা প্রশাসকের বরাবরে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে জেলা প্রশাসক বিষয়টির আইনগত সমাধানের নির্দেশ দিলেও বাস্তবে সেই নির্দেশ বাস্তবায়নে কোনো সুফল মেলেনি।

ভুক্তভোগীদের দাবি, এলাকার প্রায় ৯টি পরিবারের ৪০ জন সদস্যসহ অসংখ্য সাধারণ পথচারী গত কয়েক মাস ধরে রাস্তাটি বন্ধ থাকায় চরম অবর্ণনীয় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বিগত ৩১ মার্চ চলাচলের ওই সরকারি জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মানে বাঁধা প্রদান করায় ক্ষুব্ধ হয়ে মাসুম ও তাঁর দলবল হামলায় জড়িত হয়। পরবর্তীতে ওই মহলটি উল্টো ভুক্তভোগীদের নাম ভাঙিয়ে অসত্য দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করে বিভ্রান্তি ছড়ায়।

এ অবস্থায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো যশোর জেলা প্রশাসকের জরুরি ও সরাসরি হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছেন। তারা বিষয়টি নিরপেক্ষ কোনো উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা দ্বারা পূর্ণাঙ্গ তদন্তপূর্বক সরকারি জমির প্রকৃত অবস্থা নিরূপণ এবং জনসাধারণের যাতায়াতের পথটি অবিলম্বে অবমুক্ত করার জোর দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমরা আইনের শাসনের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল। তবে কোনো কর্মকর্তা দ্বারা পেশকৃত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা মনগড়া তথ্য কখনোই মেনে নেওয়া যায় না।” একই সাথে সত্য ঘটনা অনুধাবন করে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরার জন্য তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের বিনীত অনুরোধ জানান। ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *