স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া কর্তৃক পরিচালিত ধারাবাহিক বিশেষ অভিযানে পৃথক দুটি স্থান থেকে মোট ছয় কেজি অবৈধ গাঁজাসহ তিন নারী মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ১ নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে দুপুরের দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও আখাউড়া থানা এলাকায় এই সফল অভিযান দুটি পরিচালিত হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয় দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানাধীন কোড্ডা বড় ব্রিজের পূর্বপাশে অবস্থিত আখাউড়া বাইপাস থেকে সুলতানপুরগামী রাস্তার ওপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় চার কেজি মাদকদ্রব্য (গাঁজা) উদ্ধার এবং এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই নারীকে আটক করা হয়।
বিজ্ঞাপন
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন— ১। লিপা বেগম ওরফে আলো (২৬), স্বামী— সাব্বির মোল্লা, সাং— করাটিয়া, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ এবং ২। রুবিনা বেগম (২৬), পিতা— মো. আলমগীর, সাং— শাহ আলী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা। উভয়ের বর্তমান ঠিকানা মিরপুরের পল্লবী থানার বেড়িবাঁধ পুড়া বস্তি এলাকা। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী উপপরিদর্শক রবিউল হাসনাত বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মাদক মামলা রুজু করেছেন।
এদিকে, একই দিন দুপুর ১টা থেকে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত দ্বিতীয় অভিযানটি পরিচালিত হয় আখাউড়া থানাধীন আখাউড়া বাইপাস সংলগ্ন কাউসারের চায়ের দোকানের সামনে, আখাউড়া বাইপাস থেকে সুলতানপুরগামী রাস্তার ওপর। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে দুই কেজি অবৈধ গাঁজা উদ্ধার এবং পিয়সী জান্নাত মীম (২০) নামের এক তরুণীকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত পিয়সী জান্নাত মীম রংপুরের পীরগঞ্জ থানাপাড়ার মৃত আবু সাঈদ মো. রমজান আলীর মেয়ে এবং বর্তমানে তিনি ঢাকার মিরপুর-০১ এলাকায় বসবাস করছিলেন। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী উপপরিদর্শক সোহরাব হোসেন চৌধুরী বাদী হয়ে আখাউড়া থানায় আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মাদক মামলা রুজু করেছেন।
অভিযান পরিচালনা শেষে উদ্ধারকৃত মোট ছয় কেজি গাঁজা আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদক চোরাচালানের এই রুট ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তার করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ছবি সংগৃহীত।

