স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিজেদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী দুই মাসের মধ্যে ১২৫ সদস্যের একটি ‘ফর্মড পুলিশ ইউনিট’ (এফপিইউ) এবং একটি বিশেষ ‘সোয়াট প্লাটুন’ পাঠানোর জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।
বিজ্ঞাপন
এ উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় যানবাহন, প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও আনুষঙ্গিক মালামাল নিখুঁতভাবে প্রস্তুত ও যাচাই-বাছাই করার জন্য ৯ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সম্প্রতি বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইন্টারনাল অপারেশনস শাখা থেকে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলি হোসেন ফকিরের অনুমোদনে এই সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। আদেশে স্বাক্ষর করেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন।
জারি করা আদেশে জানানো হয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বিভাগের নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী ‘পিসকিপিং ক্যাপাবিলিটি রেডিনেস সিস্টেম’-এর আওতায় বাংলাদেশ পুলিশকে এই বিশেষ বাহিনী পাঠাতে হবে। মিশনে পাঠানোর জন্য প্রস্তাবিত এফপিইউ ও সোয়াট প্লাটুনের সব ধরণের লজিস্টিকস সরঞ্জাম, যানবাহন ও মালামাল প্রস্তুত রয়েছে কি না, তা সরেজমিনে পরীক্ষা করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়াই এই কমিটির মূল কাজ হবে।
গঠিত কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি (ফিন্যান্স) মো. আতিকুর রহমানকে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি নাছিমা আক্তার, আশরাফুজ্জামান ও মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— কেপিএইচের পুলিশ সুপার মো. হুমায়ুন কবির, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি এ.এইচ.এম. ইয়াহদুল ইসলাম ও ড. মাসুরা বেগম, পুলিশ টেলিকমের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার বিন সালেহ এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাহেদ পারভেজ চৌধুরী।
সংগঠিত এই ৯ সদস্যের কমিটি দ্রুততম সময়ে মিশন উপযোগী যানবাহন, প্রধান প্রধান আধুনিক সরঞ্জাম এবং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার প্রয়োজনীয় সামগ্রী পরীক্ষা করে দেখবে। একই সঙ্গে মিশন শুরুর পূর্বেই জাতিসংঘ প্রতিনিধিদের সম্ভাব্য পরিদর্শনের (ইনস্পেকশন) আগাম প্রস্তুতি নেওয়া, পূর্ণাঙ্গ ‘কার্গো লোড লিস্ট’ তৈরি করা এবং পুলিশ সদস্যদের বিশেষ সোয়াত প্রশিক্ষণ প্রদানপূর্বক মেধার ভিত্তিতে মূল বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার দায়িত্ব পালন করবে এই কমিটি। ফাইল ছবি সংগৃহীত।

