স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে বাঁচতে জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম পরিবর্তন করে ছদ্মনাম ব্যবহার এবং টানা ১০ বছর জনপ্রতিনিধি (মেম্বার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেও শেষ রক্ষা হলো না চিহ্নিত মাদক কারবারি আবুল কালাম আজাদের। দীর্ঘ ১৮ বছর আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে র্যাব-৮ ও র্যাব-৩ এর যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (৬ মে ২০২৬) দুপুরে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আবুল কালাম আজাদ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার আমবাগান এলাকার আফেজ উদ্দীন আকনের ছেলে।
বিজ্ঞাপন
র্যাব জানায়, ২০০৮ সালে ডিএমপি’র সবুজবাগ থানায় দায়ের করা একটি মাদক মামলায় আবুল কালাম আজাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। রায় ঘোষণার সময় থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি নিজ জেলা ঝিনাইদহ থেকে পালিয়ে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নলুয়া গ্রামে আশ্রয় নেন। সেখানে নিজের আসল নাম ‘আবুল কালাম আজাদ’ পরিবর্তন করে এনআইডিতে ‘মো. কালাম আকন’ ছদ্মনাম ধারণ করেন।
ছদ্মবেশে শুধু আত্মগোপনই নয়, এলাকায় নিজের প্রভাব বিস্তার করতে তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি বাকেরগঞ্জ উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টানা দুই বারের মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুবাদে তাঁর আসল পরিচয় দীর্ঘ ১৮ বছর ঢাকা পড়ে থাকে।
র্যাব-৮ এর কোম্পানী অধিনায়ক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ছবি সংগৃহীত।
