স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর জেলায় ডেঙ্গু পরিস্থিতির সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে সিভিল সার্জন কার্যালয়। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ২২৯০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন মোট ২১০২ জন এবং বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১২৮ জন রোগী। এছাড়া চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে জেলায় মোট ২ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় মোট ৪৪ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারিভাবে ভর্তি হয়েছেন ৪৪ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে নতুন ভর্তির সংখ্যা শূন্য রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটে নি।
উপজেলাওয়ারী পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অভয়নগর উপজেলায় চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭০ জন, যার মধ্যে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২০ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭৮৬ জন। বাঘারপাড়ায় মোট আক্রান্ত ২০০ জন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন ১১ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৭৬ জন। চৌগাছায় মোট আক্রান্ত ৫৩ জন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন ২ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫১ জন। ঝিকরগাছায় মোট আক্রান্ত ৮৮ জন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৯ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৯ জন। কেশবপুরে মোট আক্রান্ত ২৪৯ জন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন ১৩ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ২২৭ জন। মণিরামপুরে মোট আক্রান্ত ১৭২ জন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন ১৬ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৮৯ জন। এছাড়া শার্শা উপজেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২৫৯ জন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৩১ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ২২১ জন। অন্যদিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এ পর্যন্ত মোট ৪৭৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে বর্তমানে ২৪ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৫৩ জন। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ২ জন।
বিজ্ঞাপন
সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করেছেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানা এবং রিপোর্ট প্রস্তুত করেছেন পরিসংখ্যানবিদ মো. শামসুল ফালাক। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ফাইল ছবি সংগৃহীত।
