বেনাপোলে তিন ট্রাক বিস্ফোরক আমদানি : বন্দর জুড়ে কড়া নিরাপত্তা

বেনাপোল প্রতিনিধি :

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে তিনটি ট্রাকে করে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। বুধবার (৬ মে) দুপুরে বিস্ফোরকবাহী চালানটি বন্দর এলাকায় প্রবেশ করে। পরে কাস্টমস কার্যক্রম শেষে বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর শেডে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্যে তা সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের জন্য ভারত থেকে প্রথম ধাপে ৪০ মেট্রিক টন ইমালশন এক্সপ্লোসিভ ও ১০০ কিলোমিটার ডেটোনেটিং কর্ড আমদানি করা হয়েছে। ভারতের বেঙ্গালুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান কেলটেক এনার্জিস লিমিটেড থেকে এসব বিস্ফোরক দ্রব্য তিনটি ভারতীয় ট্রাকে করে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আনা হয়।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বিস্ফোরক হওয়ায় চালানটি ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর বন্দরের নির্ধারিত নিরাপদ শেডে তা রাখা হয়েছে। আগামী শুক্রবার (৮ মে) পুলিশি প্রহরায় এসব বিস্ফোরক দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের এক্সপ্লোসিভ ম্যাগাজিনে পাঠানো হবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, বিস্ফোরক দ্রব্য হওয়ায় চালানটি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে। বন্দরের নির্ধারিত নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার তত্ত্বাবধানে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নির্ধারিত সময়ে এসব বিস্ফোরক গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে।

ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

‘নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভালো মানুষ ও সুনাগরিক হতে হবে’ : ঝিকরগাছায় বিএনপি নেতা টিপু

বেনাপোলে প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

রাজারহাটে চাঁদা না দেওয়ায় মোবাইল ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত!

চৌগাছায় পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মহেশপুরের অয়ন নিহত

শারদীয় দুর্গাপূজায় যশোরে বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা বলয়

৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোর জেলা জামায়াতের প্রস্তুতি সভা

যশোরে ৭৪৬টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন : সর্বস্তরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা

‘দৃষ্টি যেখানে সীমিত, সম্ভাবনা সেখানে সীমাহীন’: যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস প...

ঘোপে জমির মালিকের আপত্তি উপেক্ষা করে জোরপূর্বক বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *