স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী’-র আসন্ন ২২তম জাতীয় কাউন্সিলকে সফল করার লক্ষ্যে যশোর জেলা শাখার বিশেষ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাউন্সিলের সমাপনী অধিবেশনে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে ২১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন জেলা আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট ২০২৬) বিকেল ৫টায় শহরের স্থানীয় কার্যালয়ে উক্ত কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ছাত্র আন্দোলনের শহীদ ও প্রয়াত প্রগতিশীল নেতাদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরবর্তীতে সাংগঠনিক আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সদস্য কমরেড শামীম বিশ্বাস এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা কমরেড কাইয়ুম শিকদার। এ ছাড়া অন্যান্যের মধ্যে ছাত্র মৈত্রীর সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও যশোর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি শফিকুজ্জামান, সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা রাশেদ খান এবং জেলা শাখার সাবেক সভাপতি শ্যামল শর্মা মতবিনিময় করেন।
বিজ্ঞাপন
নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, অসাম্প্রদায়িকতা, সমতা ও শিক্ষার অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে ছাত্র মৈত্রী সবসময় অগ্রভাগে থেকেছে। বর্তমানে শিক্ষার অন্যায্য বাণিজ্যিকীকরণ, গণতান্ত্রিক পরিসর সংকুচিত হওয়া এবং শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
কাউন্সিল শেষে সর্বসম্মতিক্রমে শাহারিয়ার বাবর বাঁধনকে আহ্বায়ক, প্রণব রায় ও আফান হোসেন সাগরকে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বিপ্লব ঘোষকে সদস্য সচিব করে ২১ সদস্যের জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটিতে সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন রমেন বিশ্বাস, সুমন বিশ্বাস, সাদমান অরি, জয় অধিকারী, জফরুল ইসলাম জাফর এবং মাহফুজ হাসান। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব সুনিশ্চিত করে বাকি পদগুলোর তালিকা খুব শিগগির প্রকাশ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নবগঠিত এই কমিটি যশোরের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণতান্ত্রিক ও বিজ্ঞানমনস্ক পরিবেশ তৈরি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে বেগবান করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। ফাইল ছবি সংগৃহীত।

