রফিক মন্ডল, নিজস্ব প্রতিবেদক, কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) থেকে:
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তদন্তে সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পর মো. মিন্টু রহমান (৩৯) নামের এক স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই দিনে পরিচালিত পৃথক আরেকটি অভিযানে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত পলাতক নারী অর্চনা রানী বিশ্বাসকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোটচাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের নিজ নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টু রহমান উপজেলার কুশনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য। তিনি কোটচাঁদপুরের ইকরা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর কোটচাঁদপুর থানায় ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের (সংশোধনী ২০২৬) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। যার মামলা নম্বর ১৬ এবং জিআর নম্বর ১১৮/২৬। ওই মামলাটির নিবিড় তদন্তে মিন্টু রহমানের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ তাকে আইনের আওতায় আনে। তবে পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে পূর্বে অন্য কোনো মামলার অপরাধের রেকর্ড (পিসিপিআর) পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, পৃথক আরেকটি অভিযানে কোটচাঁদপুরের বাজেবামনদহ গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের স্ত্রী অর্চনা রানী বিশ্বাসকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকেই গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, ‘কোট সিআর ১১০/২১’ নম্বরের একটি মামলায় আদালত তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছিলেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন।
কোটচাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মেহেদী হাসান দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। ছবি সংগৃহীত।
