স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
তারিখ: ৭ নভেম্বর ২০২৬
আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্য ও সংহতির কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম। বিভাজনের রাজনীতি দিয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব কিংবা সীমান্তের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়টি মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন এবং সে কারণেই তিনি জাতীয় ঐক্য ও সংহতির ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছিলেন।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আজ শনিবার বিকেলে যশোর টাউন হল ময়দানে অনুষ্ঠিত এক বিশাল র্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
যশোর জেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত উক্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু।
সমাবেশে উপস্থিত থেকে দলটির অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম, যশোর সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনজারুল হক খোকন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল নেতা আবু জাফর এবং মনিরুজ্জামান মাসুম প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা তাদের বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে দুর্বল করা কিংবা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসমূহকে বিতর্কিত ও ক্ষতিগ্রস্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টা কখনোই দেশের সার্বিক কল্যাণে আসতে পারে না। এসব অপচেষ্টার মাধ্যমে পরিশেষে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বড় ধরনের হুমকির মুখে নিপতিত হয়। তাই সার্বিক জাতীয় স্বার্থে দেশের সকল মত ও পথের মানুষকে ইস্পাতকঠিন ঐক্যে আবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তারা।
নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও জাতীয় ঐক্যের চেতনায় ভিত্তি করেই এ দেশের সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সংহতির রূপরেখা গড়ে তুলতে হবে। এই জাতীয় ঐক্যের অপ্রতিরোধ্য শক্তিতেই অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতন নিশ্চিত হয়েছিল। একইভাবে ভবিষ্যতেও দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় জনগণের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে।
টাউন হল ময়দানে স্মরণকালের বৃহত্তম এই সমাবেশ শেষে এক বিশাল ও বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি টাউন হল ময়দান থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে খুলনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে গিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে শেষ হয়। ছবি সংগৃহীত।
