স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
মাদকের কড়াল গ্রাস থেকে তরুণ ও যুবসমাজকে মুক্ত রাখতে শার্শা থানা পুলিশের ধারাবাহিক ও প্রশংসনীয় মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ ৩ জন ইয়াবা কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
গতকাল মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত শার্শা থানা পুলিশের পৃথক চৌকস দল শার্শা উপজেলার বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে একযোগে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে।
বিজ্ঞাপন
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন— ঝিকরগাছা উপজেলার সাদিরালী গ্রামের ইবাছতুল্লাহর ছেলে আব্দুর রহিম ওরফে ময়না (৫০), একই উপজেলার জগদানন্দকাটি গ্রামের আজিজুল ইসলামের ছেলে শরিফুল ইসলাম (২০) এবং শার্শার কাশিপুর বাজারপাড়া এলাকার আলাউদ্দীন মোড়লের স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮)।
পুলিশি তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুরে শার্শার যাদবপুর শান্তিপুর পাড়ার পাকা রাস্তার ওপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশি উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে আবদুর রহিম ওরফে ময়নাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
একই দিন দুপুরে বাগুড়ী গ্রামস্থ বেলতলা বাজার এলাকার ডাচ-বাংলা ব্যাংকের সামনে পাকা রাস্তায় সন্দেহভাজন হিসেবে তল্লাশি চালিয়ে শরিফুল ইসলামকে ৭ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার বিকেলে কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ সংলগ্ন রাস্তা থেকে ১৫ পিস ইয়াবাসহ আছিয়া বেগম নামের নারী কারবারিকে আটক করে শার্শা থানার বিশেষ আভিযানিক দল।
শার্শা থানার তৎপর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হকের বলিষ্ঠ দিকনির্দেশনায় পরিচালিত এ পরপর ৩টি অভিযানে মোট ৫২ পিস ইয়াবা উদ্ধার এবং ৩ অপরাধীকে দ্রুত আইনি জালে নিয়ে আসায় স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। মাদকমুক্ত শার্শা গড়ে তুলতে ওসি শামিনুল হক ও শার্শা থানা পুলিশের এমন দ্রুত পদক্ষেপ, নিবিড় গোয়েন্দা নজরদারি এবং পেশাদারিত্ব সাধারণ মানুষের কাছে দারুণ প্রশংসিত হচ্ছে।
অভিযানের বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক জানান, গ্রেফতারকৃত ৩ আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাঁদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে। তিনি আরও দৃঢ়তার সাথে জানান, সমাজ থেকে মাদকের নামচিহ্ন মুছে না যাওয়া পর্যন্ত শার্শা থানা পুলিশের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে। ছবি সংগৃহীত।

