স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর সদর উপজেলায় বসতবাড়িতে অন্যায্য ভাঙচুরের কারণ জানতে চাওয়ায় জহির আলম (৩১) নামে এক যুবককে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে।
বিজ্ঞাপন
আজ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলার নাড়াঙ্গালী আন্দাবাদ গ্রামে এই সংঘাত ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
আহত জহির আলম ওই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হালিমের ছেলে। বর্তমানে তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নাড়াঙ্গালী আন্দাবাদ এলাকার অভিযুক্ত আল-আমিন (৪০) ও তাঁর ছেলে বাবু (২৫)-এর বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে অভিযুক্ত আল-আমিন ও তাঁর ছেলে হঠাৎ করেই জহির আলমের ফাঁকা বসতবাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালায়। পরবর্তীতে জহির মাঠের কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরে ঘরদোরের ক্ষয়ক্ষতি দেখে প্রতিবাদ জানান এবং প্রতিবেশীদের কাছে গিয়ে ভাঙচুরের কারণ জিজ্ঞেস করেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাবা-ছেলের দল জহিরের ওপর চড়াও হয় এবং একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে জহিরের মাথা লক্ষ্য করে আঘাত করে। কোপ সামলাতে গেলে জহিরের বাম কান কেটে রক্তাক্ত জখম হয়।
পরে স্বজনেরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় জহিরকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচার শেষে বর্তমানে তিনি পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা শঙ্কামুক্ত।
এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, বসতবাড়ি ভাঙচুর ও রক্তপাতের ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সত্যতা যাচাইপূর্বক জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আভিযানিক জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। ছবি সংগৃহীত।

