বারান্দিপাড়ায় ছিনতাইকারীর কবলে কারখানার শ্রমিক : বাঘারপাড়ায় বৃদ্ধকে হাতুড়িপেটা

বারান্দিপাড়ায় ছিনতাইকারীর কবলে কারখানার শ্রমিক : বাঘারপাড়ায় বৃদ্ধকে হাতুড়িপেটা

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :

যশোরে পৃথক দুটি সহিংস ঘটনায় এক জর্দা কারখানার দিনমজুর শ্রমিক ও এক বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আজ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) গভীর রাতে শহরের বারান্দিপাড়া এলাকায় এবং সকালে বাঘারপাড়া উপজেলায় এ দুটি ঘটনা ঘটে। আহতদের আশঙ্কাজনক ও জখম অবস্থায় যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

প্রথম ঘটনা সূত্রে জানা যায়, যশোর শহরের আরএন রোড সংলগ্ন কালু মিয়ার জর্দা কারখানার শ্রমিক সুজন (২৩) রাত সাড়ে ১২টার পর কাজ শেষে নিজ বাড়ি ফিরছিলেন। রাত পৌনে ১টার দিকে বারান্দিপাড়া বটতলা এলাকায় পৌঁছালে তিন অজ্ঞাতনামা ছিনতাইকারী তাঁর পথরোধ করে। এ সময় তাঁর সাথে থাকা কঠোর পরিশ্রমের এক সপ্তাহের মজুরি নগদ ২ হাজার ৩৭০ টাকা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। সুজন টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ছিনতাইকারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে রড ও লাঠিসোটা দিয়ে তাঁর দুই পা এবং ডান হাতে এলোপাতাড়ি আঘাত করে জখম করে এবং টাকা ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বর্তমানে তিনি পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অন্য ঘটনায়, যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে সিদ্দিক মোল্লা (৬০) নামে এক বৃদ্ধের ওপর প্রতিপক্ষের লোকেরা হাতুড়ি ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালিয়েছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে বাঘারপাড়ার রাজানীত মোড় এলাকায়। আহত সিদ্দিক মোল্লা উপজেলার দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের মৃত ইজ্জত আলীর ছেলে।

ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করে জানায়, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পারিবারিক ও গ্রাম্য বিরোধের জেরে একই গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে সিদ্দিক মোল্লার গতিরোধ করে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই সন্ত্রাসীরা তাঁকে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করে ফেলে রেখে যায়। স্বজনরা তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

পৃথক দুটি হামলার ঘটনাতেই সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারসমূহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। ফাইল ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *