স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
অপরাধ দমন ও এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে অভয়নগর থানার সুযোগ্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামানের দিকনির্দেশনা ও দক্ষ নেতৃত্বে এক অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। পুলিশের তীক্ষ্ণ নজরদারি ও তাৎক্ষণিক তৎপরতায় একটি প্রাইভেট কার তল্লাশি করে ১৭ কেজি গাঁজার বিশাল চালানসহ তিন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
বিজ্ঞাপন
আজ রোববার (৯ আগস্ট ২০২৬) ভোররাতে উপজেলার শুভরাড়া ইউনিয়নের বাশুয়াড়ী গ্রামের ধলুর মোড় এলাকায় এ সাহসিক অভিযান পরিচালিত হয়। দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অভয়নগর থানা পুলিশ।
বিজ্ঞাপন
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন—কুমিল্লার গৌরীপুরের গাড়িচালক মো. মিজান (৩৩), কুমিল্লার কোতোয়ালী এলাকার পাভেল মিয়া ওরফে মিন্টু (৩৫) এবং খুলনার দৌলতপুর এলাকার মুসন মিনা (৩৫)।
পুলিশ সূত্রের খবর, ঢাকা মেট্রো গ-২২-৩৫৮৫ নম্বরের একটি প্রাইভেট কারে করে এই বিপুল পরিমাণ গাঁজার চালানটি কুমিল্লা থেকে সীমান্ত পথ হয়ে খুলনার দিকে নেওয়া হচ্ছিল। তবে অভয়নগরে ওসি মো. নুরুজ্জামানের সার্বক্ষণিক তদারকি ও কঠোর গোয়েন্দা নজরদারির কারণে পাচারকারীদের সমস্ত চক্রান্ত নস্যাৎ হয়ে যায়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে বাশুয়াড়ী গ্রামের ধলুর মোড়ে ফাঁদ পাতে পুলিশ। গাড়িটি পৌঁছানো মাত্রই ওসির সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় পুলিশ দল সেটিকে ঘিরে ফেলে এবং তল্লাশি চালিয়ে পলিথিনে মোড়ানো ১৭ কেজি উচ্চমানের গাঁজা উদ্ধার করে। একই সাথে পাচারে ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটি জব্দ করা হয়।
অভয়নগর থানার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ওসি মো. নুরুজ্জামানের ইতিবাচক আইনশৃঙ্খলা নীতি, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় নিয়মিত টহল এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কারণে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। তাঁর এই বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই আন্তঃজেলা মাদক চক্রের এই বড় চালানটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জালে ধরা পড়ল বলে মনে করছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ।
সাফল্যের বিষয়ে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুজ্জামান জানান, “অভয়নগরকে যেকোনো মূল্যে মাদক ও অপরাধমুক্ত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সাধারণ মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমন কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং আমাদের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
ওসির এমন দ্রুত, সাহসিক ও পেশাদার অভিযানের পর অভয়নগরের সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশ প্রশাসনের এই সাফল্যকে সাদরে গ্রহণ করেছেন এবং ওসির ভূয়সী প্রশংসা করছেন। ছবি সংগৃহীত।

