স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
তারিখ: ৭ নভেম্বর ২০২৬
যশোরের মনিরামপুর ও শার্শা উপজেলায় পৃথক দুটি আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে মনিরামপুরে বস্তাবন্দি অবস্থায় এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ, অন্যদিকে শার্শায় অতিরিক্ত মদ্যপান করার ফলে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়,
বিজ্ঞাপন
আজ শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) সকালে মনিরামপুর উপজেলার মশিয়াহাটীর হেলারঘাট এলাকা সংলগ্ন স্থান থেকে রঞ্জন মণ্ডল (৬০) নামের এক বৃদ্ধের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সকালে স্থানীয় লোকজন ওই এলাকায় একটি সন্দেহজনক বস্তা পড়ে থাকতে দেখে এগিয়ে যান। পরে বস্তার মুখ খুললে ভেতরে এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পেয়ে তৎক্ষণাৎ তারা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে মনিরামপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু সাঈদ গণমাধ্যমকে জানান, নিহত বৃদ্ধের সঠিক পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তিনি মূলত পার্শ্ববর্তী কেশবপুর উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। তবে কে বা কারা এভাবে হত্যা করে বস্তাবন্দি অবস্থায় ফেলে গেছে, সেই রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশি তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।
অপরদিকে, একই দিন সকালে জেলার শার্শা উপজেলার ইসলামপুর গ্রামে অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন আশা মিয়া (২২) নামের এক যুবক। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা লালটু মিয়ার সন্তান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অতিরিক্ত মদ্যপানে ওই যুবক হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁর মা সাজেদা বেগম তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে নাভারণ বুরুজবাগান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকদের পরামর্শে দ্রুত তাঁকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে আজ শনিবার বেলা ১২টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাহুল দেব ঘোষ তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর পূর্বেই পথিমধ্যে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছিল। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পৃথক এই দুটি মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ফাইল ছবি সংগৃহীত।

