স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরের শার্শায় ১১ বছর বয়সী এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের জঘন্য অপরাধে অভিযুক্ত আসামি মোঃ মকছেদ আলীকে (৫৫) মামলা দায়েরের মাত্র ১ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শার্শা থানা পুলিশের এই দ্রুততম ও কার্যকর পদক্ষেপে স্থানীয় সচেতন মহল ও সচেতন নাগরিক সমাজ পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা প্রকাশ করেছেন।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ ও স্থানীয় এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী। আসামি ও ভুক্তভোগী পরিবার পরস্পর প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে শিশুটি অভিযুক্তকে চাচা বলে ডাকত। গত ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টার দিকে শিশুটি খেলাধুলার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে অভিযুক্ত মকছেদ আলী তাকে টাকার লোভ দেখিয়ে নির্জন একটি মৎস্য ঘেরের পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনা গোপন রাখার জন্য শিশুটির হাতে ২০ টাকা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
বাড়িতে ফেরার পর ভয়ে শিশুটি কাউকে কিছু না বললেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিষয়টি সামনে আসে। পরবর্তীতে সে তার এক আত্মীয়ের কাছে ঘটনার বিস্তারিত খুলে বলে। বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের পক্ষ থেকে আজ বুধবার (১৯ আগস্ট ২০২৬) শার্শা থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়।
এজাহারের ভিত্তিতে শার্শা থানায় তাত্ক্ষণিকভাবে একটি নিয়মিত ধর্ষণ মামলা রুজু করা হয়। মামলা রুজুর পরপরই যশোর জেলার পুলিশ সুপার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তকে দ্রুততম সময়ে গ্রেপ্তারের নির্দেশ প্রদান করেন।
পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনায় শার্শা থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম দ্রুত অভিযানে নামে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ মোস্তাক আহামেদের নেতৃত্বে পুলিশ দল আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে। মাত্র ১ ঘণ্টার মাথায় রাত ৩:০৫ ঘটিকায় শার্শাধীন মহিষা এলাকা থেকে মামলার এজাহারনামীয় একমাত্র আসামি মোঃ মকছেদ আলীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
আসামিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে জালে তোলায় শার্শা থানা পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দ্রুত পদক্ষেপ প্রশংসিত হচ্ছে। আজ বুধবার গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।ছবি সংগৃহীত।

