২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মামলায় পুলিশের জালে মুকুল

বাগআঁচড়া (যশোর) প্রতিনিধি:

যশোরের শার্শায় ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে এক যুবককে অপহরণ করে বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে বেঁধে হাতুড়িপেটা ও ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মুকুল হোসেন নামে এজাহারভুক্ত ২নং আসামিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) গভীর রাতে রুদ্রপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রুদ্রপুর গ্রামের শরিফুল ইসলামের সাথে অভিযুক্ত আতিকুর রহমান, মুকুল হোসেন ও আব্দুর রশিদের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক বিরোধ ছিল। সেই শত্রুতার জেরে গত ১৯ এপ্রিল সকালে শরিফুল যখন ভ্যানযোগে রাজমিস্ত্রীর কাজে যাচ্ছিলেন, তখন আসামিরা তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে রুদ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নিয়ে যায়।

সেখানে ৩নং আসামি আব্দুর রশিদের নির্দেশে শরিফুলকে বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে হাত-পা বেঁধে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় আসামিরা লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে শরিফুলকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। তাঁর আর্তচিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। বর্তমানে শরিফুল যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে শার্শা থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. শরিফুল ইসলাম রুদ্রপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে আসামি মুকুল হোসেনকে আটক করেন।

শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন জানিয়েছেন, আটক মুকুলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

মণিরামপুর পৌরসভা ও পুলিশ স্টেশন পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

চৌগাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রেমিক অয়নের পর মারা গেলেন আহত চিকিৎসাধীন প্রেমিকা মিথিলাও

‘নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভালো মানুষ ও সুনাগরিক হতে হবে’ : ঝিকরগাছায় বিএনপি নেতা টিপু

বেনাপোলে প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

রাজারহাটে চাঁদা না দেওয়ায় মোবাইল ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত!

চৌগাছায় পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মহেশপুরের অয়ন নিহত

শারদীয় দুর্গাপূজায় যশোরে বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা বলয়

৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে যশোর জেলা জামায়াতের প্রস্তুতি সভা

যশোরে ৭৪৬টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন : সর্বস্তরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *