স্টুডিওর আড়ালে ছাপানো হতো জাল নোট!

স্টুডিওর আড়ালে ছাপানো হতো জাল নোট!

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :

অপরাধের ধরন যতই আধুনিক হোক না কেন, আইনের হাত থেকে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। এই বার্তা আবারও স্পষ্ট করে দিল পুলিশ। প্রযুক্তিকে হাতিয়ার বানিয়ে জাল টাকা তৈরি ও বাজারে ছেড়ে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে সফল অভিযানের মাধ্যমে গ্রেফতার করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের দৌলতপুর থানা।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দৌলতপুর থানার একটি বিশেষ দল গোপন তথ্য পেয়ে গত রাতে এই অভিযান পরিচালনা করে। থানার অন্তর্গত পুরাতন সাতক্ষীরা রোডের কাজী আব্দুল করিম রোডের একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে জাল নোট তৈরিতে ব্যবহৃত ল্যাপটপ, হার্ডডিস্কসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল সরঞ্জাম এবং আলামত উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

অভিযানকালে কাজী মিনহাজ করিম অমিতের বসতবাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি স্টুডিও ঘরের ভেতর থেকে হাতেনাতে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন দৌলতপুর থানা এলাকার কাজী মিনহাজ করিম অমিত, শেখ ইমতিয়াজ কাদির এবং আলিমুজ্জামান আশিক। তারা তিনজনই একই এলাকার বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে যৌথভাবে প্রযুক্তির অপব্যবহার করে জাল নোট তৈরির এই কারবারে জড়িত ছিলেন।

জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ সুরক্ষিত রাখা এবং অর্থনীতির ভারসাম্য বজায় রাখতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফেরাতে সাহায্য করেছে। পুলিশ জানিয়েছে যে অপরাধীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা যতই বাড়ুক না কেন, পুলিশের তদন্ত সক্ষমতাও দিন দিন আরও বেশি যুগোপযোগী ও শক্তিশালী হচ্ছে। জনগণের অর্থ এবং আস্থা নিরাপদ রাখতে জাল নোটের কারবারীদের বিরুদ্ধে এমন কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *