স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের ২০০৯-২০১০ শিক্ষাবর্ষের প্রাক্তন শিক্ষার্থী লিপিকা রানী রায়ের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর।
বিজ্ঞাপন
আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট ২০২৬) এক শোকবার্তায় উপাচার্য বলেন, “লিপিকা রানী রায় ছিলেন যবিপ্রবির একজন অত্যন্ত মেধাবী ও প্রতিশ্রুতিশীল প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তাঁর এই আকস্মিক ও অকাল মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার একজন প্রিয় ও গুণী অ্যালামনাইকে হারালো।” তিনি প্রয়াতের বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন, শিক্ষক ও সহপাঠীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
বিজ্ঞাপন
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, লিপিকা রানী রায় দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক অ্যাজমা ও জটিল শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে খুলনা সিটি মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউতে (ICU) চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১২ আগস্ট রাত আনুমানিক ৮টার দিকে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
কর্মজীবনে লিপিকা রানী রায় কেশবপুর উপজেলার গৌরীঘোনা ইন্দুমতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁর পিতা মুকুন্দ মুরারী রায় এবং তাঁর স্বামী অমৃত মন্ডল বাংলাদেশ পুলিশের একজন সার্জেন্ট হিসেবে কর্মরত। তাঁদের গ্রামের বাড়ি কেশবপুর উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামে। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী ও তিন বছরের এক কোমলমতি ছেলেসন্তান সহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তাঁর এই অসময়ে চলে যাওয়ায় যবিপ্রবির শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এফএমবি বিভাগ, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তর, যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও পৃথক পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। ফাইল ছবি সংগৃহীত।

