স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) খালিশপুর থানা পুলিশ পৃথক দুটি স্থানে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ৪টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ চক্রের ২ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। উদ্ধারকৃত বাইকগুলোর মধ্যে পালসার, জিক্সার, লিভো এবং এফজেড-এর মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খালিশপুর থানার একটি নিয়মিত চুরি মামলার (মামলা নম্বর-২১, তারিখ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬) সুনির্দিষ্ট সূত্র ধরে গত ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ ভোররাত আনুমানিক ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয়। খালিশপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম বটিয়াঘাটা থানার শান্তিনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার মূল আসামি আকবর হোসেন মুন্নাকে (২৬) গ্রেপ্তার করে। ধৃত আকবর হোসেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার আলিপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে এবং বর্তমানে বটিয়াঘাটার দারোগাভিটা এলাকায় বসবাস করছিলেন।
পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত আকবর হোসেনের দেয়া নিবিড় তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় দ্বিতীয় অভিযান চালানো হয়। সেখানে নিজ বাড়ি থেকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় চক্রের অপর সদস্য রাব্বিকে (২০)। রাব্বি বাগেরহাট সদর থানার বারুইপাড়া বাজার সুতাইল এলাকার রকিব নকিবের ছেলে।
বিজ্ঞাপন
এরপর তাদের দুজনকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে চোর চক্রের অপর সদস্য পলাতক আসামি তারিকুল ইসলাম চঞ্চলের বাগেরহাটের ফকিরহাটস্থ বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে মূল আসামি আকবর হোসেন মুন্নার দেখানো ও শনাক্ত মতে চুরিকৃত সর্বমোট ৪টি মোটরসাইকেল আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে একটি বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি, একটি নীল রঙের সুজুকি জিক্সার, একটি লাল রঙের হোন্ডা লিভো এবং একটি নীল রঙের ইয়ামাহা এফজেড (ভার্সন ফোর) মোটরসাইকেল।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ১ নম্বর আসামি আকবর হোসেন মুন্নার বিরুদ্ধে থানায় পূর্বেও একাধিক চুরি মামলার তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। সে একজন দাগি ও পেশাদার চোর।
আটককৃত আসামিদ্বয়কে ইতোমধ্যে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। একই সাথে উদ্ধার করা বাকি মোটরসাইকেলগুলোর প্রকৃত মালিকানা যাচাইসহ সার্বিক বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে বলে খালিশপুর থানা পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। ছবি সংগৃহীত।

