এনসিপি নেতার যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরীর কারখানা!

এনসিপি নেতার যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরীর কারখানা!

স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :

ফরিদপুর শহরের আবাসিক এলাকায় আয়ুর্বেদিক উৎপাদনের অন্তরালে অবৈধভাবে পরিচালিত যৌন উত্তেজক সামগ্রী ও ভেজাল বেবি জেলের কারখানায় যৌথ বাহিনীর যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। উক্ত বেআইনি কারখানা পরিচালনার অপরাধে ফরিদপুর জেলা এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার পরিচালিত এ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ইনসানা তানজীন ইকো।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে শহরের গোয়ালচামট এলাকার একটি  বাড়ি ভাড়া নিয়ে ‘মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ কারখানা’ নাম দিয়ে এনসিপি নেতা শাহেদ সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে এই কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। সেখানে কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়াই শিশুদের ব্যবহারের ভেজাল বেবি জেল, রাসায়নিক মিশ্রিত যৌন উত্তেজক ভেষজ সামগ্রী ও বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণ করা হতো।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনী ওই আস্তানায় হানা দিয়ে বিপুল পরিমাণ প্রস্তুতকৃত ভেজাল ওষুধ ও ওষুধ তৈরির ক্ষতিকর উপাদান উদ্ধার করে। অভিযানে উদ্ধার হওয়া আনুমানিক আড়াই লাখ টাকার বিষাক্ত কাঁচামাল তাৎক্ষণিকভাবে বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং কারখানাটি স্থায়ীভাবে বন্ধ ও সিলগালা করে দেওয়া হয়।

অভিযানকালে আস্তানাটি থেকে জিল্লুর রহমান নামের এক সহযোগীকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে অপরাধ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ২০ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে পাঠায়।

যৌথ বাহিনীর এমন তাৎক্ষণিক আভিযানিক পদক্ষেপের কারণে ভেজাল ও নিম্নমানের এ সমস্ত ক্ষতিকর ওষুধ বাজারের ক্রেতাদের হাতে পৌঁছানো বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *