জাকির হোসাইন তুষার, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি :
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র ও প্রশাসনিক কাজে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে স্থানীয় বিএনপির একাংশ।
বিজ্ঞাপন
আজ বুধবার (১২ আগস্ট ২০২৬) উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক মোড় চত্বরে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। মিছিল চলাকালে বিক্ষোভকারীরা অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগানে পুরো এলাকা প্রকম্পিত করে তোলেন।
বিজ্ঞাপন
সমাবেশে সভাপতিত্ব ও প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো. মৈমুর আলী মৃধা। তিনি বলেন, “বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর সার্বিক সহায়তায় মহম্মদপুরে উন্নয়ন ও সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। সুষম বণ্টন ও স্বচ্ছতার কারণে যাদের অবৈধ ইনকাম বন্ধ হয়ে গেছে, সেই স্বার্থান্বেষী মহলটিই এই নিরপেক্ষ নিয়োগ নিয়ে অনৈতিক বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।”
নিয়োগের বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, “প্রায় ৯০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্য থেকে মেধা, দক্ষতা ও পূর্ণ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ৮৩ জনকে নির্বাচন করা হয়েছে। এখানে কোনো পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। ব্যক্তিস্বার্থে প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত করার চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।”
সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যেকোনো অপপ্রচার বা চক্রান্ত রুখে দিয়ে মহম্মদপুরের শান্তি ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা অধ্যক্ষ (অব.) মতিউর রহমান, অ্যাডভোকেট খান রোকনুজ্জামান, অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম মুকুল, অধ্যাপক ড. এম এম রইচ উদ্দীন, সাবেক ছাত্রদল নেতা মো. শরিফুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. তরিকুল ইসলাম তারামিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. আরিফুজ্জামান মিল্টন, কৃষক দল নেতা রেজওয়ানুর রহমান রাসেল ও সোহেল রানা, এবং ছাত্রদল নেতা মো. ইব্রাহিম সরদার শাকিল ও রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। ছবি সংগৃহীত।


