স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
মাগুরার শ্রীপুরে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ভুয়া পরিচয় দিয়ে এক নারীকে অপহরণের চেষ্টা করার সময় একটি প্রতারক চক্রের ৭ সদস্যকে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের বহনকারী মাইক্রোবাস তল্লাশি করে সিআইডি লেখা ৪টি জ্যাকেট, ১টি ভুয়া খেলনা পিস্তল, ১টি মাইক্রোবাস এবং ৮টি স্মার্ট মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৬ আগস্ট ২০২৬) গভীর রাতে শ্রীপুর উপজেলার নাকোল পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে শ্রীপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল ঝটিকা অভিযান চালিয়ে আসামিদের আটক করে।
বিজ্ঞাপন
আটককৃত অপরাধীরা হলেন—ঝিনাইদহের পাগলাখানা গ্রামের মোছা. আছমা খাতুন (৩১), পবহাটি এলাকার হাসানুজ্জামান (২৮), একই গ্রামের ওসমান গনি (২৫), আরবপুরের সালমান শাহ (২৫), নলডাঙ্গার সাকিব (২৩), কুড়িগ্রামের কালিঘাট পাঁচমাথা এলাকার ছাব্বির হোসেন (২২) এবং মাগুরার শালিখা উপজেলার দেবীলা গ্রামের আল-আমিন হোসেন (২২)।
পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে, উক্ত সংঘবদ্ধ চক্রটি একটি মাইক্রোবাসযোগে শ্রাবণী নামে এক নারীকে জোরপূর্বক অপহরণের চেষ্টা চালাচ্ছিল। গোপন সূত্রে বিষয়টি জানতে পেরে নাকোল ফাঁড়ি ও শ্রীপুর থানা পুলিশের সদস্যরা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে ঘিরে ফেলেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
বুধবার দুপুরে এক জরুরি সাংবাদিক সম্মেলনে মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্যা আজাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার বার্তা পাওয়া মাত্রই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) থান্দার খায়রুল হাসানের প্রত্যক্ষ পরিচালনায় সফল অভিযান চালানো হয়। আটক আসামিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আরও ফাঁস করেন, এই পুরো অপহরণ নাটকের মূল কুশীলব ও পরিকল্পনাকারী হলেন ভুক্তভোগী শ্রাবণীর দ্বিতীয় স্বামী শিমুল। ঘটনার পরপরই তিনি আত্মগোপনে চলে যান। তাঁকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের জোরালো অভিযান জোরদার করা হয়েছে। ছবি সংগৃহীত।


