চৌগাছায় চটপটির লোভ দেখিয়ে শিশুকে যৌন নিপীড়ন !

চৌগাছায় চটপটির লোভ দেখিয়ে শিশুকে যৌন নিপীড়ন !

চৌগাছা প্রতিনিধি:

যশোরের চৌগাছায় সাত বছর বয়সী এক প্রাক-প্রাথমিক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ফুঁসলিয়ে যৌন নিপীড়নের অপচেষ্টার অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে হাতেনাতে পাকড়াও করে পুলিশে দিয়েছে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। স্থানীয় জনতা উত্তেজিত হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গণধোলাই দেওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

গতকাল শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার নারায়ণগঞ্জস্থ কপোতাক্ষ নদের ব্রিজের সংলগ্ন নির্জন এলাকায় এ শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আটককৃত অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম হাফেজ নাজমুল ইসলাম (৩৫)। তিনি খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের আবু সাঈদ শেখের সন্তান। বর্তমানে তিনি যশোর শহরের মোল্লাপাড়াস্থ ‘হাফিজিয়া বায়তুল মামুন মাদ্রাসা’য় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

ভুক্তভোগী শিশুটির স্বজনদের বরাতে জানা যায়, ওই শিশুটি উক্ত হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। শুক্রবার সকালে শিক্ষক নাজমুল ইসলাম শিশুটিকে সাথে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ গ্রামে তাঁদের পারিবারিক বাসভবনে আসেন। পরবর্তীতে সন্ধ্যার দিকে চটপটি খাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে অবুঝ শিশুটিকে নারায়ণগঞ্জ কপোতাক্ষ নদের ব্রিজের নির্জন তলদেশে নিয়ে যান। সেখানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চরম অনৈতিক আচরণের চেষ্টা চালালে বিষয়টি স্থানীয় পথচারী ও বাসিন্দাদের নজরে আসে। তারা তাৎক্ষণিকভাবে হাতেনাতে ঘটনাটি ধরে ফেলে এবং শিক্ষককে গণধোলাই প্রদান করে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরবর্তীতে বার্তা পেয়ে চৌগাছা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযুক্তকে আটক করে। স্বজনদের অভিযোগ, ইতিপূর্বেও অভিযুক্ত শিক্ষক শিশুটির প্রতি কয়েকবার বিকৃত আচরণ করেছিলেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনূর রশিদ জানান, স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *