বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
বিজ্ঞাপন
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদারের বিরুদ্ধে জমি দখলের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ এবং চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা চারটি সনাতনী পরিবারের সুরক্ষার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আজ শনিবার দুপুরে কলাপাড়া প্রেসক্লাবের প্রকৌশলী তৌহিদুর রহমান মিলনায়তনে কলাপাড়া উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ সিকদার এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষে অনিল চন্দ্র, পুলিন চন্দ্র, আভারানী, সবিতা রানী, সুনিল ও ঠাকুরানীসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দেবাশীষ সিকদার জানান, কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ মৌজায় তাঁদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় খোকন মন্ডল সিন্ডিকেটের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালত গত ১৭ জুলাই প্রতিপক্ষ খোকন মন্ডল গংদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ দেন।
দেবাশীষের অভিযোগ, আদালতের সেই রায় অমান্য করে সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত খোকন মন্ডল জমি দখলের চেষ্টা চালান। এর আগে গত ১০ জুলাই নির্বাচন কেন্দ্রিক ব্যবসায়িক এলাকায় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তাঁকে আহত করা হলে পুলিশ খোকনকে গ্রেফতারও করে। পরবর্তীতে জামিনে মুক্ত হয়ে স্থানীয় এক প্রভাবশালী কুচক্রী মহলের ইন্ধনে উপজেলা বিএনপির সভাপতির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে গত ২৯ জুলাই বরিশালের কয়েকটি পত্রিকায় সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, তারা বর্তমানে খোকন মন্ডল ও তাঁর লোকজনের হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন। নিজেদের জীবন ও জানমালের সুরক্ষায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।
অন্যদিকে সব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে খোকন মন্ডল জানান, আরএস, এসএ ও বিএস খতিয়ান অনুযায়ী তাঁর দাদা পরেশ চন্দ্র মন্ডল জমির প্রকৃত মালিক ছিলেন। বর্তমানে রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে প্রতিপক্ষরা তাঁদের পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলের ভাত খাইয়েছে। ছবি সংগৃহীত।


