১০ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবাসহ বিপ্লব গ্রেপ্তার

১০ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবাসহ বিপ্লব গ্রেপ্তার

স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় একটি এসি স্লিপার বাসে বিশেষ কায়দায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) পয়েন্টের ভেতরে লুকিয়ে ১০ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা পাচারকালে মো. বিপ্লব ইসলাম (৩৬) নামের এক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

গত ১৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দুপুর ১২টা থেকে বেলা আটাশ মিনিট পর্যন্ত বগুড়া জেলার শাজাহানপুর থানাধীন নয়মাইল জামালপুর এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মো. বিপ্লব ইসলাম গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের কোচমর্দন বাড়ই গ্রামের মো. নুরুজ্জামানের ছেলে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ডিএনসি বগুড়া কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, বগুড়ার উপপরিচালক মোহা. জিললুর রহমানের সার্বিক নির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন খবরের ভিত্তিতে ডিএনসির একটি দল কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা দিনাজপুরগামী ‘এভারগ্রীন ট্রাভেলস্’ নামের একটি এসি স্লিপার যাত্রীবাহী বাসে (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: চট্ট মেট্রো-ব-১১-২১১৮) তল্লাশি চালায়। বাসটির ইউএ-৪ (UA-4) সিটে টিকেটবিহীন অবস্থায় বসা যাত্রী বিপ্লব ইসলামের দেহ এবং তার সিটের ওপর বাম পাশের এসি নক কভার তল্লাশি করে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা মাদক উদ্ধার করা হয়।

ডিজিটাল কিচেন স্কেলে পরিমাপ করে উদ্ধারকৃত মাদকের মোট ওজন পাওয়া যায় ১ কেজি ৬০ গ্রাম। কালো স্কচটেপে পেঁচানো দুটি পোটলার মধ্যে প্রথম পোটলায় ২৫টি নীল রঙের জিপারযুক্ত পলি প্যাকেটে প্রতিটিতে ২০০ পিস করে মোট ৫ হাজার পিস এবং দ্বিতীয় পোটলায় ২৮টি প্যাকেটে প্রতিটিতে ২০০ পিস করে মোট ৫ হাজার ৬০০ পিস—সব মিলিয়ে মোট ৫৩টি প্যাকেটে ১০ হাজার ৬০০ পিস কমলা রঙের অ্যাম্ফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এছাড়া মাদক ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত সিমসহ একটি ভিভো ওয়াই একুশ (VIVO Y21) অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, বগুড়ার উপপরিদর্শক মো. তাহিদুল আলম বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় (৩৬(১) সারণির ৯(গ), ২৬(১) ও ৫৬ ধারা) একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

মাদকের এই বিশাল চালানের সাথে অন্য কারা জড়িত রয়েছে, তা উদ্ঘাটনে নিবিড় তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *