নিয়ম মেনেই বাঘারপাড়া ডিগ্রি কলেজের মেহগনি গাছের ডাল কাটা হয়েছে : অধ্যক্ষ

নিয়ম মেনেই বাঘারপাড়া ডিগ্রি কলেজের মেহগনি গাছের ডাল কাটা হয়েছে : অধ্যক্ষ

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :

যশোরের বাঘারপাড়া ডিগ্রি কলেজের খেলার মাঠে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাধুলার সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণ আইনগত নিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক বিধি মেনে মেহগনি গাছের ডালপালা কর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কলেজটির অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মতিন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রতিবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

আজ রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) দুপুরে প্রেস ক্লাব যশোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মতিন জানান, বাঘারপাড়া ডিগ্রি কলেজের ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ফুটবল ও অন্যান্য খেলাধুলা চর্চা করে আসছে। তবে মাঠের পাশে থাকা মেহগনি গাছের অতিরিক্ত ও ছড়ানো ডালপালার কারণে নিয়মিত ফুটবল খেলতে গিয়ে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটেছিল এবং শিক্ষার্থীদের আঘাত পাওয়ার আশঙ্কাও ছিল।

এই বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে গত ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত কলেজের গভর্নিং বডির ২৮৫ নম্বর সভায় মাঠের চারপাশের মেহগনি গাছের ডালপালা নিয়মমাফিক ছেঁটে ফেলার সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। পরবর্তীতে নিয়মানুযায়ী গত ১৫ অক্টোবর বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেওয়া হয়। প্রশাসনের যথাযথ অনুমতি প্রাপ্তির পর গত ৩১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে গাছের ডালপালা কর্তনের কাজ সম্পন্ন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

অধ্যক্ষ তাঁর বক্তব্যে আরও জানান, পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও আইনগত বিধিবিধান মেনে করা হয়েছে। তাছাড়া মাঠ থেকে কর্তন করা ডালপালার পরবর্তী হিসাব ও ব্যবস্থাপনার বিষয়টি আগামী ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য গভর্নিং বডির সভায় উপস্থাপন করা হবে এবং কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেই অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বর্তমান সরকারের নীতি ও যুগোপযোগী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের মাদকাসক্তি, জঙ্গিবাদ ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করছে। সরকারের এই মহৎ ধারাবাহিকতাকে অনুসরণ করেই কলেজের মাঠকে ফুটবল ও অন্যান্য খেলার উপযোগী করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অথচ একটি স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল এই উন্নয়নমূলক ও শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগকে নস্যাৎ করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার ও কুৎসা রটনা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মতিন এলাকার সচেতন, সাংবাদিক ও সুধী সমাজের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন, যাতে শিক্ষার্থীরা সুস্থ পরিবেশে তাদের খেলাধুলা ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে।  ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *