স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর সদর উপজেলার কচুয়া এলাকায় গভীর রাতে বসতবাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে মনিরা বেগম নামের এক গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম, বেধড়ক মারধর এবং স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুটে নেওয়ার এক ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে।
বিজ্ঞাপন
নৃশংস এ ঘটনায় আহত গৃহবধূর স্বামী সেলিম রেজা (৪৩) বিচার চেয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে যশোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত আসামিরা হলেন মাহাবুব আলম শান্ত, শাহাদৎ হোসেন, গোলাম হোসেন, রোমান হোসেন ও রকি হোসেন।
বিজ্ঞাপন
মামলার এজাহার ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে আসামিরা জোরপূর্বক ঘরে ঢুকে মনিরা বেগমকে চরমভাবে মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরবর্তীতে হামলাকারীরা ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিশেষ পেনড্রাইভ খোঁজার পাশাপাশি দুই ভরি ওজনের সোনার রুলি, সোনার চেইন, এক জোড়া কানের দুল এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে চম্পাট দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় মারাত্মক আহত মনিরাকে তড়িঘড়ি করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত মনিরা বেগম দাবি করেছেন, এলাকার চিহ্নিত কয়েকজন ব্যক্তির নানাবিধ অন্যায় ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের স্পর্শকাতর তথ্যসংবলিত একটি পেনড্রাইভ তাঁর কাছে সংরক্ষিত ছিল। মূলত সেই অপরাধের প্রমাণ পেনড্রাইভটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই পৈশাচিক হামলা চালানো হয়েছে। বর্বরোচিত এই হামলার পর থেকে চরম প্রাণনাশের ভয়ে দুই সন্তানসহ পুরো পরিবার নিয়ে ভিটেমাটি ছেড়ে অন্যত্রে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন তারা। ছবি সংগৃহীত।

