খুলনা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) জনাব মো: আলী হোসেন ফকির বিপিএম বলেছেন, অপরাধ দমন এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কার্যকারিতা অত্যন্ত ব্যাপক। কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে প্রাপ্ত যেকোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য অপরাধ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে।
গত ২৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদবিরোধী কার্যক্রম এবং কমিউনিটি পুলিশিং সংক্রান্ত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করে তিনি এসব কথা বলেন।
সুধী সমাবেশ শেষে আইজিপি মহোদয় খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে খুলনাস্থ বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় যোগদান করেন। খুলনা রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি জনাব মো: রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় কেএমপি কমিশনার জনাব মো: সাজ্জাদুর রহমান, পিটিসি কমান্ড্যান্ট জনাব এ কে এম মোশাররফ হোসেন মিয়াজী, এসআরবি-০৬ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদসহ এপিবিএন, হাইওয়ে পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, সিআইডি, পিবিআই, নৌ-পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া খুলনা রেঞ্জের আওতাধীন ১০টি জেলার পুলিশ সুপার এবং ৬৪টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) এই সভায় সশরীরে অংশগ্রহণ করেন।
বিজ্ঞাপন
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) জনাব মো: আলী হোসেন ফকির বিপিএম দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সর্বদা সমুন্নত রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন এবং কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমে আরও বেশি গতিশীলতা আনার আহ্বান জানান। বিশেষ করে বর্তমান সময়ের অন্যতম সামাজিক ব্যাধি কিশোর গ্যাংগুলোর নেপথ্যে কোনো রাজনৈতিক প্রভাবশালী নেতার আশ্রয় বা মদদ রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র ছাড় না দিয়ে অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য পুলিশ বাহিনীর সকল স্তরের সদস্যদের নির্দেশ প্রদান করেন।ছবি সংগৃহীত।
