স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত সংসদ সদস্য ভবনে (ন্যাম ভবন) দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ও সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সাতক্ষীরা-৪ আসনের বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য (এমপি) জিএম নজরুল ইসলাম এবং তাঁর প্রথম স্ত্রীকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আজ রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাতে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশের একটি দল তাঁদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। সেখানে তাঁদেরকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এর আগে, সন্ধ্যার পর ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের ৩য় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে সিলিং ফ্যানের সাথে মরিয়মের নিথর দেহ ঝুলতে দেখা যায়। খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ উক্ত ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষ করে ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে নিহতের মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে স্থানান্তরিত করা হয়।
বিজ্ঞাপন
শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ জানায়, ফ্ল্যাটের ভেতর ঠিক কী ঘটেছিল এবং এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তা নিশ্চিত হতেই এমপি ও তাঁর প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুলাই মাসে জিএম নজরুল ইসলামের একটি গোপনীয় ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। সে সময় তিনি ভিডিওর ১৯ বছর বয়সী মরিয়মকে তাঁর আইনি স্ত্রী বলে দাবি করেন। তবে দলীয় শৃঙ্খলা ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গত ২২ জুলাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে দল থেকে বহিষ্কার করে। বিতর্কিত এই বিয়ের পর থেকেই ন্যাম ভবনের বাসায় পারিবারিক টানাপোড়েন চলছিল বলে স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
ছবি সংগৃহীত।
