উপশহর বাবলাতলা মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডে কৌশলে মাদকের রমরমা কারবার!

উপশহর বাবলাতলা মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডে কৌশলে মাদকের রমরমা কারবার!

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :

যশোর উপশহরের বাবলাতলা বাজারের ঢাকা রোড ব্রিজের পূর্ব পাশে দিন দিন উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে মাদকসেবী ও কারবারিদের আনাগোনা। একসময়ের শান্ত এই আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকাটি এখন সন্ধ্যার পর থেকেই মাদকাসক্তদের নিরাপদ আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে উঠতি বয়সের তরুণ ও যুবকেরা প্রতিদিন এসে এখানে ভিড় জমাচ্ছে, যার প্রভাবে পুরো এলাকার সামাজিক পরিবেশ চরমভাবে বিনষ্ট হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

অনুসন্ধানে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবলাতলা মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন দুটি নির্দিষ্ট চায়ের দোকানকে কেন্দ্র করেই এই মাদকের সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। ব্রিজের পূর্ব পাশের দক্ষিণ কোণে অবস্থিত কাজলের চায়ের দোকান এবং উত্তর পাশে অবস্থিত বারেকের চায়ের দোকানেই চলছে এসব অপকর্ম।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, কাজল নামে ওই ব্যক্তি সন্ধ্যা নামলেই কৌশলে তার চায়ের দোকান বন্ধ করে দেয়। এরপর ব্রিজের আশপাশে ও স্ট্যান্ড এলাকায় ঘুরে ঘুরে গোপনে গাঁজা ও ইয়াবা সরবরাহ করে। অন্যদিকে বারেক নামে অপর বিক্রেতা অত্যন্ত চতুরতার সাথে তার দোকানে ইয়াবা কেনাবেচা চালায়। বারেকের দোকানের পেছনে বাঁশের চাটাই দিয়ে ঘেরা একটি বিশেষ গোপন কক্ষ তৈরি করা হয়েছে। গভীর রাতে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তরুণ মাদকসেবীরা ওই ঘরে বসেই নিশ্চিন্তে ইয়াবা সেবন করে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, হুট করে এসে যে কেউ চাইলেই এদের কাছ থেকে মাদক কিনতে পারে না। ধরা পড়ার হাত থেকে বাঁচতে বারেক ও কাজল কেবল তাদের নির্দিষ্ট বা বিশ্বস্ত খদ্দেরদের কাছেই অতি গোপনে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করে থাকে। হাতের নাগালে সহজে মাদক মেলায় বাবলাতলা মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের অনেক উঠতি বয়সের তরুণ চালক ও সহযোগীও বর্তমানে এই মরণনেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে।

স্থানীয়দের দাবি, এই মাদক চক্রের অবাধ বিস্তারের কারণে উপশহর ও বাবলাতলা এলাকায় আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে বাসাবাড়ি ও দোকানে চুরি এবং পথচারীদের ছিনতাইয়ের ঘটনা। নেশার টাকা জোগাড় করতেই এসব তরুণ রাত বাড়লেই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এতে করে সাধারণ পথচারী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন।

দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অপকর্ম বন্ধে এবং উপশহরের সুশীল পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশু হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এ বিষয়ে যশোর জেলা পুলিশ সুপার এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জরুরি ঝটিকা অভিযান ও কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

চুক্তি ও লাখ টাকা বিনিয়োগের পরও জমি জবর দখল !

যবিপ্রবি ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসে ভেটেরিনারি অনুষদের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের উদ্বোধন

যশোর বোর্ডে এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণে পৌনে এক লাখ আবেদন

যশোরে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ৭ লাখ টাকা লোপাট : চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ২

অভয়নগরে মোটরসাইকেল ছিনতাই নাটকের নেপথ্যে ভয়ংকর আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্র!

প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ সুচারুভাবে আয়োজনে ঝিকরগাছায় বিশেষ প্রস্তুতিমূলক সভা

যশোরে শামসুদ্দীনের বিরুদ্ধে জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগ : ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

বেনাপোল সীমান্তে পৌনে ৮ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

নারিকেলবাড়িয়া বাজারে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে জখম আসিফ

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *