স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট:
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী যশোর রেলওয়ে জংশনে যাত্রী বিশ্রামাগার ও পার্কিং স্থান দ্রুত আধুনিকায়ন এবং ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে সার্বক্ষণিক ছাউনি নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছে সচেতন যশোরবাসী। একই সাথে ‘প্রবর্তী’ ট্রেন চালুসহ দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা ৫ দফা দাবির দ্রুত বাস্তবায়নে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) বরাবর একটি লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আজ রোববার (৯ আগস্ট ২০২৬) যশোর রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টারের মাধ্যমে মহাপরিচালক বরাবরে এই লিখিত আবেদনটি পাঠায় আন্দোলনরত ‘বৃহত্তর যশোরবাসী’ প্ল্যাটফর্ম।
বিজ্ঞাপন
স্মারকলিপিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে রূপসা-সীমান্ত কিংবা প্রবর্তী ট্রেন পুনঃচালুসহ ৫ দফা দাবির সপক্ষে স্থানীয় নাগরিকরা ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। রেলওয়ের উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময়ে এসব দাবি পূরণের ইতিবাচক আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তার দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
আবেদনে আরও তুলে ধরা হয়, বৃহত্তর যশোর ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর বিপুল সংখ্যক মানুষের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হলো যশোর জংশন। প্রতিদিন এ স্টেশন থেকে রাজধানী ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, চট্টগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় হাজার হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। পাশাপাশি বেনাপোল স্থলবন্দর ও কোলকাতা থেকে আসা আন্তর্জাতিক ট্রেনের যাত্রীদের জন্য এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট।
কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, এ অঞ্চলের অন্যতম ব্যস্ত এই জংশনের যাত্রী বিশ্রামাগার ও যানবাহন পার্কিং এলাকার অবকাঠামোগত অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত জীর্ণ ও নাজুক। তদুপরি ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে পর্যাপ্ত ছাউনি বা ছাদ না থাকায় প্রখর রোদ ও বর্ষার অতিবৃষ্টিতে ভিজে সাধারণ যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ ও ভোগান্তি পোহাতে হয়।
নাগরিক দুর্ভোগ লাঘবে অবিলম্বে জংশনের আধুনিকায়ন ও ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে উন্নত ছাউনি নির্মাণের কার্যকর ও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে জোর দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
‘বৃহত্তর যশোরবাসী’ সংগঠনের পক্ষে উক্ত স্মারকলিপিতে যৌথ স্বাক্ষর করেন কমিটির আহ্বায়ক মো. কাওসার আলী এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন। ছবি সংগৃহীত।

