স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরে মাকে নির্যাতন, মাদক সেবন ও মাদক বহনের পৃথক পৃথক মামলায় গ্রেফতার হওয়া চার আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।
আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল পৃথক মামলার শুনানি শেষে এসব আদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন— যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোড এলাকার সাদিক, শংকরপুর চোপদারপাড়া এলাকার সোহাগ, যশোর সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের শাকিব হোসেন এবং বাঘারপাড়া উপজেলার আরজী বাসুয়াড়ী গ্রামের কাজী আরমান।
বিজ্ঞাপন
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মাদক ও জুয়ার টাকার জন্য প্রায়ই নিজ মাকে গালিগালাজ ও নির্যাতন করতেন শহরের ঘোপ এলাকার সাদিক। আজ ২৭ সেপ্টেম্বর টাকা না পেয়ে ধারালো অস্ত্র নিয়ে মাকে ভয়ভীতি দেখালে তাঁর মা ফাতেমা খাতুন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তাকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করলে আসামি আদালতে দোষ স্বীকার করায় বিচারক তাঁকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
অপরদিকে, শহরের শংকরপুর মুরগির ফার্ম রেলগেট এলাকা থেকে কোতোয়ালি থানা-পুলিশ কর্তৃক গাঁজাসহ আটক সোহাগ আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করলে বিচারক তাঁকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া আজ ভোরে চাঁচড়া-ধর্মতলা এলাকার ইয়াকুবের চায়ের দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে ৮ পিস ইয়াবাসহ শাকিব হোসেনকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুনানি শেষে আসামি দোষ স্বীকার করায় আদালত তাঁকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা করেন; অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ হয়।
একই দিনে বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা সনু বেপারির বাঁধ এলাকা থেকে ধাওয়া করে কাজী আরমানকে ২ পিস ইয়াবাসহ আটক করে। শুনানিতে তিনি অপরাধ স্বীকার করলে আদালত তাঁকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে অতিরিক্ত ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। ছবি সংগৃহীত।
