স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরে খ্যাতিমান ‘টনি খান হোটেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট’-এর লাখ লাখ টাকার অর্থ, আসবাবপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিপত্র আত্মসাতের অভিযোগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) প্রতিষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা লাকী নুরজাহান বাদী হয়ে যশোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।
বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে ঘটনা তদন্ত করে দ্রুততম সময়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন। বাদীর আইনজীবী এডভোকেট তাহমীদ আকাশ আদালতের এই আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞাপন
মামলার অভিযুক্ত আসামিরা হলেন— যশোর শহরের ধর্মতলা-কারবালা রোড এলাকার মুসলিমা খাতুন বিউটি এবং তাঁর স্বামী বশির আহমেদ চন্দন।
মামলার আরজি সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৩ মার্চ আটজন অংশীদারের যৌথ উদ্যোগে ‘টনি খান হোটেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠিত হয়। সূচনালগ্নে চারজন অংশীদার প্রতিষ্ঠানে মোট ২৪ লাখ টাকা মূলধন বিনিয়োগ করেন, যার মধ্যে বাদী লাকী নুরজাহান একাই ৫ লাখ টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন লাভজনক সরকারি প্রকল্পের কাজ পেতে শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম গতিশীল থাকা অবস্থায় অন্য অংশীদারদের কোনো কিছু না জানিয়ে এবং অলক্ষে আসামিরা জালিয়াতির আশ্রয় নেন। তারা সুপরিকল্পিতভাবে মূল প্রতিষ্ঠানের রক্ষিত গচ্ছিত অর্থ, মূল্যবান আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি ও গুরুত্বপূর্ণ সব নথিপত্র অবৈধভাবে সরিয়ে নেন।
পরবর্তীতে রাতারাতি মূল প্রতিষ্ঠানের নাম ও পরিচিতি গোপন করে ‘প্রিজম হোটেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট’ নামে একই স্থানে নতুন কার্যক্রম শুরু করেন তারা, যা অংশীদারদের সাথে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রত্যক্ষ প্রতারণার শামিল। ফাইল ছবি সংগৃহীত।
