গ্রামীণ ঐতিহ্য ও জন-পুলিশ আস্থার নতুন সংযোগ

গ্রামীণ ঐতিহ্য ও জন-পুলিশ আস্থার নতুন সংযোগ

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :

“মাদকদ্রব্য ত্যাগ করি, কিশোর গ্যাং নির্মূল করি, সুস্থ-সবল জীবন গড়ি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবং আইজিপির নির্দেশে তরুণ সমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে যশোরে শুরু হতে যাচ্ছে ‘১ম কমিউনিটি পুলিশ কবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

যশোর জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম (পিপিএম-সেবা) স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইজিপির দিকনির্দেশনায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা কেবল একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়; বরং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা ও সম্ভাবনাময় তরুণ খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের মাদকের ছায়া ও কিশোর অপরাধ থেকে দূরে রেখে সুস্থ, সুন্দর ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

একই সাথে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী কবাডি খেলাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে জনপ্রিয় করে তোলা এবং পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এই প্রতিযোগিতার অন্যতম উদ্দেশ্যে।

কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সার্বিক সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া সংস্থার পরামর্শ ও সমন্বয়ে টুর্নামেন্টটি পরিচালিত হবে। প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে বাংলাদেশ কবাডি ফেডারেশন।

প্রতিযোগিতার বিন্যাস ও স্তর:

  • ইউনিয়ন পর্যায়: প্রথমে ইউনিয়ন পর্যায়ে নারী ও পুরুষ কবাডি দল গঠন পূর্বক খেলার মাধ্যমে উপজেলা চ্যাম্পিয়ন দল বাছাই করা হবে।

  • জেলা পর্যায়: সকল উপজেলা চ্যাম্পিয়ন দল নিয়ে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল নির্বাচন করা হবে।

  • বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়: পরবর্তীতে জেলা চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল বিভাগীয় পর্যায় এবং পরবর্তীতে বিভাগীয় পর্যায় শেষে নারী ও পুরুষ দল জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।

যশোর জেলা পুলিশ বিশ্বাস করে, “১ম কমিউনিটি পুলিশ কবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬” তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধমুক্ত রাখতে এবং পুলিশ-জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ প্রশাসন আহ্বান জানায়— “আসুন, খেলাধুলায় তরুণদের সম্পৃক্ত করি—মাদক ও অপরাধমুক্ত সুস্থ-সবল সমাজ গড়ে তুলি এবং সেই সাথে স্লোগান দিই— ‘যদি ক্রীড়া হয় পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’।” ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *