স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরের শার্শা থানা পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত চলমান বিশেষ অভিযানে বিস্ফোরক উপাদান আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের আওতায় দায়েরকৃত একটি নিয়মিত মামলার তদন্তে প্রাপ্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে গোগা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক পদধারী নেতা এবং শার্শা ইউনিয়নের এক সক্রিয় কর্মী রয়েছেন।
শার্শা থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে শার্শা থানায় দায়েরকৃত এফআইআর নম্বর ২৩, জি আর নম্বর ৩০২ (ধারা: ১৫(৩)/২৫ডি, দ্য স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্ট, ১৯৭৪; তৎসহ ৩/৪/৬, দ্য এক্সপ্লোসিভ সাবস্টেনসেস অ্যাক্ট, ১৯০৮)-এর মামলার তদন্ত প্রক্রিয়ায় এই দুই আসামির সম্পৃক্ততা উন্মোচিত হয়।
প্রথম অভিযানে, শার্শা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আশীষ সরকার ও উপপরিদর্শক (এসআই) সবুজ গাজীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) রাত আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে শার্শা থানাধীন পাঁচভূলট মাঝেরপাড়া গ্রামস্থ নিজ বসতবাড়ী থেকে এজাহারভুক্ত সন্দিগ্ধ আসামি মো. হযরত আলী (৬৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক হযরত আলী পাঁচভূলট মাঝেরপাড়া গ্রামের মৃত ওসমান আলীর ছেলে এবং তিনি শার্শা থানাধীন ০৬ নম্বর গোগা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক পদে নিয়োজিত ছিলেন।
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী অভিযানে, একই মামলার সূত্র ধরে একই পুলিশ টিম ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রাত ১২টা ১০ মিনিটে (১৩ অক্টোবর দিবাগত রাত) অপর এক অভিযানে অংশ নেয়। এ সময় শার্শা থানাধীন দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামস্থ নিজ বাসভবন থেকে আসামি মো. আ. আজিজ (৫০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি দক্ষিণ বুরুজবাগান এলাকার মৃত শেফাতুল্লাহর ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আটককৃত আ. আজিজ ১০ নম্বর শার্শা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ও ক্যাডার হিসেবে পরিচিত।
শার্শা থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তারকৃত উভয় আসামিকে বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) যথাযথ পুলিশি পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সীমান্ত ঘেঁষা শার্শা থানা এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও অপরাধ দমনে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। ছবি সংগৃহীত।
