উপশহরে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে স্বর্ণ ও নগদ টাকা ছিনতাই  : কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ

উপশহরে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে স্বর্ণ ও নগদ টাকা ছিনতাই : কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :

তারিখ: ২ নভেম্বর ২০২৬

যশোর শহরের উপশহর এলাকায় দোকানের পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সনজিৎ দেবনাথ নামের এক ব্যবসায়ীকে পথরোধ করে অতর্কিত মারধর, ব্যবহৃত স্বর্ণের আংটি ও নগদ ১৭ হাজার টাকা বলপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। কেবল ছিনতাই করেই খান্ত হয়নি চক্রটি, পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে আরও হাজার হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেছে বলে জানা গেছে।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সনজিৎ দেবনাথ বাদী হয়ে  কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে মো. লাবলু তালুকদার, তাঁর স্ত্রী সাকিবা ইসলাম নেহা, মো. সুজন এবং নাম না জানা আরও ৬-৭ জন অজ্ঞাতপরিচয় বহিরাগতকে আসামি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর ব্যবসায়ী সনজিৎ দেবনাথ মালামাল সরবরাহের উদ্দেশ্যে উপশহর বাবলাতলা খালপাড়ের তেঁতুলতলা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে পূর্ববিরোধের জেরে অভিযুক্ত লাবলু তালুকদার ও সুজনের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র যুবক কাঠের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে সঙ্গে থাকা আট আনা ওজনের একটি মূল্যবান স্বর্ণের আংটি ও নগদ ১৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।

এরপর হামলাকারীরা তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিউমার্কেট এলাকায় নিয়ে গিয়ে অবরুদ্ধ ও জিম্মি করে রাখে। সেখানে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাঁর কাছে এককালীন ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী তাৎক্ষণিকভাবে নগদ ৮ হাজার টাকা তাদের হাতে তুলে দেন। বাকি ১২ হাজার টাকা দ্রুত পরিশোধ করার জন্য চক্রটি তাঁকে প্রতিনিয়ত নানাভাবে চাপ ও হুমকি দিয়ে আসছে।

ব্যবসায়ী সনজিৎ দেবনাথ জানান, আসামিদের কাছে তাঁর পাওনা বকেয়া টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই এই শত্রুতার জন্ম। তিনি এই ন্যক্কারজনক হামলা ও চাঁদা আদায়ের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক জড়িত লাবলু তালুকদার ও তাঁর স্ত্রীরসহ অন্যান্য সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ফাইল ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *