স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরের অভয়নগর উপজেলায় স্কুল চলাকালীন ৪র্থ শ্রেণীর এক কোমলমতি ছাত্রীকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ইমরান হোসেন নামের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর নির্যাতনের শিকার ওই শিশু শিক্ষার্থীকে দ্রুত উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরান হোসেন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন।
উপজেলার বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই অপরাধের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ, আলোচনা ও তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ওই ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ঘটনাটি নিশ্চিত হওয়ার পর ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরান হোসেনকে একমাত্র আসামি করে অভয়নগর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
বিজ্ঞাপন
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটির সার্বিক শারীরিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে এবং তার চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সাথে মামলার প্রধান আসামি পলাতক শিক্ষক ইমরান হোসেনকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে পুলিশের বিশেষ দল ইতোমধ্যে একাধিক অভিযান পরিচালনা শুরু করেছে। অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মুখোমুখি করার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ। ছবি সংগৃহীত।
