স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
আসন্ন আগামী ৪ নভেম্বর বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও যশোর উন্নয়নের কারিগর মরহুম জননেতা তরিকুল ইসলামের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী এবং ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পালনের লক্ষ্যে যশোর জেলা বিএনপির উদ্যোগে এক গুরুত্বপূর্ণ যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এই যৌথসভায় জেলা বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় মরহুম তরিকুল ইসলামের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
যৌথসভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৪ নভেম্বর মরহুম তরিকুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর মাজারে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, স্মরণসভা, দোয়া মাহফিল এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি পালিত হবে। এছাড়া ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি সফল করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
সভায় বক্তারা বলেন, জাতীয় নেতা তরিকুল ইসলাম ছিলেন দক্ষিণ জনপদের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক এবং বিএনপির দুর্দিনের পরীক্ষিত কাণ্ডারি। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও অসামান্য অবদান যশোর তথা সমগ্র দেশের রাজনীতিতে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের ফসল ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
এই যৌথসভায় বিএনপি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক নার্গিস বেগম, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন সহ জেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, মৎস্যজীবী দলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং নির্ধারিত কর্মসূচি সফল করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বাত্মক ভূমিকা পালনের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ছবি সংগৃহীত।
