বেড়াতে আসা যুবককে জিম্মি করে বাঁশবাগানে দলবদ্ধ বলাৎকার!

বেড়াতে আসা যুবককে জিম্মি করে বাঁশবাগানে দলবদ্ধ বলাৎকার!

স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা থানার নয়াপাড়া রশীদপুর এলাকায় বেড়াতে গিয়ে এক তরুণ চরম নিগ্রহ ও জিম্মি হওয়ার শিকার হয়েছেন। পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওই যুবককে একটি নির্জন স্থানে আটকে রেখে এই অমানবিক ঘটনা ঘটানো হয় এবং পরবর্তীতে তা মোবাইল ফোনে ধারণ করে ব্লাকমেইল ও চাঁদা দাবি করা হয়।

ভুক্তভোগী যুবক মিলন হোসেন নিজেই বাদী হয়ে এ বিষয়ে সলঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছে নয়াপাড়া রশীদপুর গ্রামের হৃদয় হোসেন, শফি আহামেদ, নাঈম আহামেদ, সিয়াম হোসেন, মনিরুল ইসলাম, কাইয়ুম, তুহিন ও শফিকুল ইসলামসহ আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণ ওই গ্রামে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। ঘটনার রাতে স্থানীয় একটি দোকানের পাশে অবস্থান করার সময় অভিযুক্তরা কৌশলে ও পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে একটি কাছাকাছি বাঁশবাগানে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে দুর্বৃত্তরা শারীরিক নির্যাতন চালায়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এ সময় অভিযুক্তদের মধ্য থেকে কয়েকজন তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে এই অপকর্মের সম্পূর্ণ দৃশ্য ধারণ করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অপরাধীরা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

পরবর্তীতে ধারণকৃত সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ইমো অ্যাপের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর স্বজনদের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জানান, ঘটনার পর পারিবারিকভাবে এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি সলঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে, তারা একটি লিখিত অভিযোগ হাতে পেয়েছেন এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখছেন। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ফাইল ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *