স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
ব্যবসায়িক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, মিথ্যা মামলা দায়ের ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন যশোর শহরের ঠিকাদার ও জুট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন।
আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে যশোর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এই অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন জানান, তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার বারবাকপুর গ্রামের মৃত দুলাল উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে। বিগত প্রায় দুই যুগ ধরে তিনি যশোরে অবস্থান করে সততার সাথে ঠিকাদারি ও জুট ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ব্যবসায়িক সুনাম অর্জনের পর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে তাঁকে ভুয়া ‘আদম ব্যবসায়ী’ বানিয়ে ব্লাকমেইল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ওবায়দুল রহমান, কবিরুল ইসলাম ও আব্দুল করিমসহ তাঁদের সহযোগীরা তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।
বিজ্ঞাপন
চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চক্রটি তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি শুরু করে। আনোয়ার হোসেন দাবি করেন, ইতিপূর্বে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তিনটি মামলা দায়ের করা হলেও আদালত প্রমাণের অভাবে সবগুলোই খারিজ করে দেন।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, আদালতে আইনগতভাবে মীমাংসিত একটি পুরোনো ঘটনাকে নতুন করে সাজিয়ে গত ১ জুলাই ঝিকরগাছা থানায় তাঁর বিরুদ্ধে আবারও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে তাঁর কাছে ‘৩৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে’—এমন ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়া দিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশের পাঁয়তারা চালাচ্ছে চক্রটি।
সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল রহমানের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ এনে আনোয়ার হোসেন বলেন, “মিথ্যা মামলা ও লাগাতার অপপ্রচারের কারণে আমার দীর্ঘদিনের সামাজিক মর্যাদা ও ব্যবসায়িক সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।”
তিনি এই ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন এবং অসাধু চক্রটির হয়রানি থেকে সুরক্ষা পেতে ও নিজের নিরাপত্তা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট উর্ধতন প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ছবি সংগৃহীত।

