মোঃ মাসুদ রানা, কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ)
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বলেছেন, শুধুমাত্র পরিমিত ও সঠিক মাত্রায় রাসায়নিক সার ব্যবহারের মাধ্যমেই দেশে সারের সম্ভাব্য সংকট দূর করা সম্ভব। আবাদী কৃষি জমির মাটি পরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় সারের সুনির্দিষ্ট পরিমাপ নির্ধারণ এবং জৈব সারের ব্যবহার বহুলাংশে বাড়াতে হবে।
বিজ্ঞাপন
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মহেশ্বরচাঁদা গ্রামে আয়োজিত এক সুবিশাল কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, সরকার কৃষি খাতের সুরক্ষায় প্রতি বছর সারে ব্যাপক অঙ্কের বিপুল ভর্তুকি দিয়ে আসছে। এ জেলার আবাদী মাটি অত্যন্ত উর্বর ও সোনার চেয়েও খাঁটি। না বুঝে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার জমিতে ঢেলে দিয়ে এই উর্বর মাটির স্বাভাবিক পুষ্টিগুণ নষ্ট না করার জন্য তিনি উপস্থিত সকল কৃষকদের প্রতি আকুল আহ্বান জানান।
রাসায়নিক সারের অপব্যবহার রোধ, পরিবেশবান্ধব ভার্মিকম্পোষ্ট ও ট্রাইকোকম্পোষ্ট সারের ব্যবহার বৃদ্ধি, বিষমুক্ত নিরাপদ ফসল উৎপাদন এবং সরকারের বিশেষ অগ্রাধিকার ভিত্তিক ‘কৃষক কার্ড’ বাস্তবায়ন শীর্ষক এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে মহেশ্বরচাঁদা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের প্রায় পাঁচ শতাধিক কৃষক ও কৃষাণী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ঝিনাইদহ খামারবাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ এবং কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম রনি, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান মিলন এবং স্থানীয় কৃষক হেলাল উদ্দিন ও টিপু সুলতানসহ অন্যান্য সুধীজন। ছবি সংগৃহীত।


